তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কৃষিজমি বেশি নষ্ট করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন উপরের দিকে সম্প্রসারণ করা হবে। যতটুকু জমি প্রয়োজন, শুধু ততটুকুই ব্যবহার করা হবে।’
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে যেন বেকারত্ব না বাড়ে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে বিষয় বা বিভাগ খোলার নির্দেশ দেন তিনি।
এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কাজের জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। তাই এখানে পড়াশোনার মান যেন বিশ্বমানের হয়। বিশ্বের র্যাঙ্কিংয়ে যেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম থাকে।’
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ভিসি ইস্রাফিল শাহিন, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপি জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উল্লেখ্য, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে।





