নিহতের বোন রাহিমা বেগম জানান, গতকাল রাত প্রায় ১১টার দিকে মহিষকাটা বাজারের উত্তর পাশের বাজারগোনা এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে তার বাবা ও চাচাতো ভাইয়েরা রিপন কাজীর ওপর হামলা চালান। এতে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
নিহতের ভাই রাব্বি কাজীর দাবি, পারিবারিক জমিজমা বিক্রি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে তাদের পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিলো। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার বাবার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী বলেন, ‘মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় কয়েকজন পথরোধ করেন। এরপর রিপন কাজীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি প্রাণ বাঁচাতে পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেলেও রিপন কাজী হামলার শিকার হন।’
স্বজনদের অভিযোগ, এ ঘটনায় রিফাত কাজী, রাসেল কাজী, মনির কাজী, সোহাগ কাজী ও মিজানুর কাজী জড়িত।
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই রিপন কাজীর মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তিনি জানতে পেরেছেন, নিহতের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলায়। ঘটনাটি সদর উপজেলার মহিষকাটা বাজারসংলগ্ন বাজারগোনা এলাকায় ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




