সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, চুক্তির খসড়াটি বর্তমানে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং সর্বোচ্চ নেতার বিবেচনাধীন রয়েছে। এটি কোনো আকস্মিক সমঝোতা নয়; বরং দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফসল। তবে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির পথে এখনো বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু বা ‘স্টিকিং পয়েন্ট’ রয়ে গেছে।
আরাঘচি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া এবং আটকে রাখা সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে প্রাথমিক কিছু ঐকমত্য হয়েছে। তবে পরমাণু কর্মসূচি এবং পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বড় বিষয়গুলোতে এখনো দুই পক্ষ একমত হতে পারেনি। এই অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন। একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তি নিশ্চিত করতে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে আগামী ৬০ দিন আলোচনার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।





