বিবৃতিতে বলা হয়, চীন ও রাশিয়ার সামরিক বিমানগুলো পূর্ব ও দক্ষিণ সাগরের ওপর দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা সীমায় প্রবেশ করে এবং কিছুক্ষণ পর চলে যায়। কোরিয়ার সামরিক বাহিনী বিমানগুলো প্রবেশ করার আগেই শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে। তবে বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার মূল আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি বলে জানানো হয়েছে।
সাধারণত আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ সীমা বা কাদিজে কোনো দেশের সার্বভৌম আকাশসীমা নয়, বরং নিরাপত্তার স্বার্থে বাফার জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই এলাকায় প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে জানানোর রীতি থাকলেও আইনগত কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের এবং রাশিয়ার বিমান বাহিনী জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে একটি ‘কৌশলগত আকাশ টহল’ চালিয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিজেদের সংকল্প ও সক্ষমতা প্রদর্শনই ছিল এই মহড়ার উদ্দেশ্য। তবে চীনের পক্ষ থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়নি। রাশিয়াও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও চীন ও রাশিয়ার ৯টি সামরিক বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা সীমায় প্রবেশ করেছিল। ওই সময় দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বেইজিং ও মস্কোর কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল।





