স্থানীয় সময় আজ (মঙ্গলবার, ৩০ জুন) সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের ফলে আইডাহো এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াসহ যেসব অঙ্গরাজ্যে ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা বহাল থাকবে।
আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো সংবিধান বা কেন্দ্রীয় ‘টাইটেল নাইন’ আইন লঙ্ঘন করে না। শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য নিষিদ্ধ করে এই টাইটেল নাইন আইন। মূলত, রক্ষণশীল বিচারপতিরা রাজ্যগুলোর এই যুক্তিকেই মান্যতা দিয়েছেন যে, ন্যায্য প্রতিযোগিতার জন্য নারী ও পুরুষ অ্যাথলেটদের মধ্যে পার্থক্য থাকা প্রয়োজন।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইন অনুযায়ী, রিপাবলিকান শাসিত দুই ডজনেরও বেশি রাজ্যে নারী ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোতেও এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরও শক্তভাবে কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে ক্রীড়াঙ্গনে ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে মার্কিন সমাজ এখন দুই ভাগে বিভক্ত। টেনিস তারকা মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাসহ অনেক প্রখ্যাত অ্যাথলেট নিষেধাজ্ঞার পক্ষে থাকলেও, ফুটবল তারকা মেগান র্যাপিনোসহ অনেকেই ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তবে পাবলিক ওপেনিয়ন বা জনমতের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। গত বছরের অক্টোবর মাসে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬০ শতাংশ আমেরিকান ট্রান্সজেন্ডার কিশোর-কিশোরীদের জন্মগত লিঙ্গ অনুযায়ী ক্রীড়া দলে খেলার নিয়মকে সমর্থন করেন।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২১ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক এবং সাত লক্ষাধিক কিশোর-কিশোরী নিজেদের ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে পরিচয় দেন। এই রায়ের পর কানেকটিকাট ও ক্যালিফোর্নিয়াসহ যেসব স্থানে ট্রান্সজেন্ডারদের খেলার অনুমতি দেয়ার আইন রয়েছে, সেগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়লো।




