খসড়া অনুযায়ী, ইরান অবিলম্বে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে। এছাড়া চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ইরানের ওপর থেকে তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যাতে দেশটি তেল বিক্রি করে আয় করতে পারে।
আর্থিক বিষয়ে সমঝোতা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আটকে রাখা ২ হাজার ৫০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলারের তহবিল ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে। সরাসরি নগদ অর্থ স্থানান্তর, আঞ্চলিক দেশগুলোর সহযোগিতা এবং আর্থিক ক্রেডিট লাইনের মাধ্যমে এই অর্থ ছাড় করা হবে।
পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র তৈরি বা অর্জন করবে না। চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তেহরান তাদের পরমাণু কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বা পরমাণু স্থাপনা সম্প্রসারণ থেকে বিরত থাকবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই শর্তে সম্মত হয়েছে যে, ইরান তাদের উচ্চ মাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের ভেতরেই পাতলা বা লঘু করে রাখতে পারবে। এই প্রক্রিয়া শুরুর কারিগরি দিকগুলো নিয়ে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে আলোচনা হবে।





