
খরায় শুকিয়ে গেছে পানির উৎস, তীব্র সংকটে ইন্দোনেশিয়া
শুষ্ক মৌসুমে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে তীব্র সুপেয় পানির সংকটে ইন্দোনেশিয়ার বানতেন প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল। নদী, ঝর্ণাসহ পানির প্রাকৃতিক উৎসগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে পানি সংগ্রহ করছেন বাসিন্দারা। শুষ্ক এই মৌসুমে পানির বিকল্প উৎস নির্ধারণে কর্তৃপক্ষের সহায়তা চান তারা। আর আবহাওয়াবিদদের শঙ্কা, এল নিনোর কারণে দীর্ঘায়িত হবে খরা পরিস্থিতি।

অনাবৃষ্টিতে পঞ্চগড়ে ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষাবাদ
অনাবৃষ্টিতে এবার পঞ্চগড়ে ব্যাহত হচ্ছে আমন চাষাবাদ। অন্য বছরগুলোতে এই সময়ে চারা রোপণ শেষ হয়ে গেলেও এবার অন্তত ৬০ হাজার হেক্টর জমি পতিত পড়ে রয়েছে। রোদে পুড়ে নষ্ট হচ্ছে বীজতলা। তাই দুশ্চিন্তায় চাষিরা। এদিকে কেউ কেউ সেচ দিয়ে চারা রোপণ করছেন। এতে উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় শঙ্কা চাষিদের।

মাছ সংরক্ষণ ও কৃত্রিম প্রজননে সান্তাহার প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রের সফলতা
জলবায়ু পরিবর্তন, অনাবৃষ্টি এবং কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বিলুপ্তির পথে দেশীয় ছোট মাছ। স্বাদু পানির ১৪৩ প্রজাতি মাছের মধ্যে ৬৪টি প্রজাতিই এখন সংকটে। তবে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সান্তাহার প্লাবনভূমি উপকেন্দ্রের উদ্যোগে বিলুপ্ত প্রায় মাছ সংরক্ষণ ও কৃত্রিম প্রজননে এই সফলতা পেয়েছে। এবার পুকুরে চাষ করেও মেটানো যাবে দেশীয় ছোট মাছের চাহিদা।

মৌসুমের শুরুতে কমেছে পাটের দাম
চলতি পাট মৌসুমের শুরুতে নড়াইলে বৃষ্টি হয়েছে কম। সেচের বাড়তি খরচ নিয়েই আবাদ করেন কৃষকরা। পাট কাটার পর জাগ দিচ্ছে বিভিন্ন জলাশয় অথবা নদীতে। এখানেও বাড়ছে ব্যয়। পাট জাগ দিতে প্রতি একর জমিতে বাড়তি খরচ হচ্ছে অন্তত ১০ হাজার টাকা। তার ওপর বাজারে পাটের দাম কম থাকায় কৃষক লাভের মুখ দেখবেন কি-না তা নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।

প্রত্যাশিত ইলিশ মিলছে না জালে
জাটকা রক্ষায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে ইলিশ শিকারে নদীতে নেমেছেন ভোলার জেলেরা। তবে অব্যাহত তাপপ্রবাহ আর অনাবৃষ্টিতে জেলেদের সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। তাঁদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা। কিভাবে সংসার আর ঋণের কিস্তি পরিশোধ করবে তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ জেলেদের কপালে।

তাপপ্রবাহ আর অনাবৃষ্টিতে লিচু নিয়ে শঙ্কা
তাপপ্রবাহ আর অনাবৃষ্টিতে দিনাজপুরে লিচুর ফলন কম হতে পারে ৪০ শতাংশ। ফলন বাঁচাতে শঙ্কিত কৃষকদের ভোরে আর সন্ধ্যায় প্রতিদিন সেচ দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষিবিভাগ।