
প্রজননের জন্য চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করার লক্ষ্যে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর ৭০ কিলোমিটার এলাকায় ২২ দিনের জন্য মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে।

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল; মণপ্রতি দাম ছাড়ালো লাখ টাকা
বরিশালের নদ-নদী ও মোকামে ভরা মৌসুমেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। সরবরাহ কম থাকায় বাজারে ইলিশের দাম আকাশচুম্বী। মণপ্রতি ইলিশের দর লাখ টাকা ছাড়িয়েছে। ক্রেতারা বলছেন, নাগালের বাইরে ইলিশের দাম। আর বিক্রেতাদের দাবি, সরবরাহ কম তাই বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। উৎপাদন কমার পেছনে নদীতে ডুবোচর, নাব্যতা হ্রাসকে কারণ বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

পদ্মায় ইলিশের সংকট: বিপাকে মানিকগঞ্জের জেলে পরিবার
পদ্মা ও যমুনা নদীবেষ্টিত মানিকগঞ্জের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে মাছ ধরা। তবে পদ্মায় ইলিশের প্রাপ্যতা কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলেরা। মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত পাঁচ অর্থবছরে জেলায় পদ্মায় ইলিশ আহরণ কমেছে ৪৬ শতাংশের বেশি। নাব্য সংকট, পানির প্রবাহের পরিবর্তন ও দূষণসহ নানা কারণেই ইলিশ কমছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ভারতে পোনা পাচার ঠেকাতে বৈধ রপ্তানির সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা
বগুড়ার আদমদীঘিতে উৎপাদিত মাছের পোনা অবৈধভাবে পাচার হচ্ছে ভারতে। বাড়তি উৎপাদন খরচ পুষিয়ে নিতে সহজে পোনা রপ্তানির সুযোগ চান হ্যাচারি মালিক ও ব্যবসায়ীরা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, বৈধভাবে পোনা রপ্তানি করা গেলে সরকারি কোষাগারে যোগ হবে বড় অঙ্কের অর্থ।

শুষ্ক মৌসুমে জমজমাট নেত্রকোণার শুঁটকি বাজার
হাওর নদী জেলা নেত্রকোণায় মাছের পাশাপাশি চাহিদা রয়েছে শুঁটকির। প্রতিবছরই শুকনো মৌসুমে উৎপাদন ও বিক্রি বাড়ে। এরমধ্যে পুঁটি ও চ্যাপার চাহিদাই শীর্ষে। যা স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি যাচ্ছে বিদেশেও। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, শুঁটকির উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ শুঁটকি উৎপাদনের বিষয়টি মনিটরিং করা হচ্ছে।

'স্বজনপ্রীতিতে' সরকারি চাল অন্যদের দেয়ার অভিযোগ বরগুনার জেলেদের
নিষেধাজ্ঞা মেনেও বঞ্চিত সাড়ে ১০ হাজার পরিবার
মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় সরকারি সহায়তার চাল পায়নি বরগুনার নিবন্ধিত প্রায় ১১ হাজার জেলে পরিবার। জেলে কার্ড থাকার পরও সহায়তায় তালিকাভুক্ত না হওয়ায় হতাশ তারা। এদিকে জেলে তালিকায় অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অন্য পেশার মানুষদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও তুলেছেন জেলেরা।

কক্সবাজারের শুঁটকির আলাদা কদর পর্যটকদের কাছে
কক্সবাজার উপকূলে প্রতিবছর উৎপাদন হয় চার হাজার কোটি টাকার শুঁটকি। পর্যটকদের কাছে এ শুঁটকির রয়েছে আলাদা কদর। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কিছু শুঁটকি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। মানসম্মত শুঁটকি উৎপাদন নিশ্চিত করতে কাজ করার কথা বলছে মৎস্য বিভাগ।।

ইলিশের অভয়ারণ্য রক্ষায় সমুদ্রে সতর্ক পাহারা নৌবাহিনীর
বাঙালির পাত থেকে দিন দিন উধাও হয়ে যাচ্ছে ইলিশ। বিশেষ করে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছে সুস্বাদু এ মাছ। এবারের মৌসুমে রীতিমতো দাম নিয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে ব্যবসায়ীরা। এতদিন যে অভিযোগ ছিল তারই প্রেক্ষিতে মা ইলিশের অভয়ারণ্য রক্ষায় সমুদ্রে সতর্ক পাহারা শুরু করেছে নৌবাহিনী।

অর্থনীতিতে বছরে তিন হাজার কোটি টাকার যোগান চলনবিলের
রূপ আর বৈচিত্রের মুগ্ধতা ছাপিয়ে জীবন-জীবিকার ভাণ্ডার হয়ে উঠেছে নাটোরের চলনবিল। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত থেকে বছরজুড়ে অর্থনীতিতে যোগান দিচ্ছে অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা। চলনবিলের ওপর নির্ভর করে জীবন চলে হাজারও পরিবারের। খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণের সাথে সমৃদ্ধ করছে স্থানীয় অর্থনীতি। তাই, জীবিকার অন্যতম অবলম্বন এ বিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান সংশ্লিষ্টদের।

টাঙ্গাইলের নদীতে কমছে মাছ, জৌলুস হারাচ্ছে বাজার
টাঙ্গাইলে বিভিন্ন জলাশয়ে দেশিয় প্রজাতির মাছ মিলছে চাহিদার মাত্র ২৫ শতাংশ। পাশের জেলাগুলো থেকে আমদানি করতে হচ্ছে চাহিদার বাকি ৭৫ শতাংশ মাছ। জেলেরা বলছেন, 'প্রজননের সময় অবাধে মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন করায় কমছে মাছের সংখ্যা।' বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 'এরইমধ্যে আড়াই শতাধিক দেশিয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়েছে।' এদিকে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাষিদের প্রশিক্ষনের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করাসহ উম্মুক্ত জলাশয় থেকে অবৈধ চায়না দোয়ারি ও কারেন্ট জাল জব্দ করা হচ্ছে।

যশোরে প্রতিদিন ২ কোটি টাকার মাছের পোনা বিক্রি
দেশের মোট চাহিদার ৭০ শতাংশ মাছের পোনা সরবরাহ হয় যশোর থেকে। জেলার চাঁচড়া বাবলাতলা বাজারে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০টি ট্রাকে করে মাছের রেণু ও পোনা বেচাকেনা হয়। যার মূল্য দেড় থেকে ২ কোটি টাকা। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় আগের তুলনায় বেচাকেনা বেড়েছে কয়েকগুণ।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব: কক্সবাজারে ২৮২টি মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্ত
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারে পানিতে কক্সবাজার জেলার ৪ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে ২৮২টি মৎস্য ঘের ও ৩১০টি পুকুর ভেসে গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৮ লাখ টাকার। এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান।