
কত ক্যারেটের স্বর্ণের অলংকার কেনা লাভজনক, কোথায় ঝুঁকি ও কেনার সঠিক নিয়ম
স্বর্ণ এখন লাখ টাকার উপরে থাকা একটি অত্যন্ত মূল্যবান ধাতু। গত ২৯ জানুয়ারি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়ে রেকর্ড ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে তা কিছুটা কমে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। স্বাধীনতা পরবর্তী ৫৫ বছরে স্বর্ণের দাম দেশে ১,৩৭০ গুণ বেড়েছে। বাজারে স্বর্ণের আকস্মিক দাম বৃদ্ধির কারণে এর মান, ক্যারেট ও ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ক্রেতাদের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কত ক্যারেটের স্বর্ণের গয়না কেনা সবচেয়ে লাভজনক হবে এবং কোথায় ঠকার ঝুঁকি রয়েছে (Which Gold Karat is Best in Bangladesh 2026)?

স্বর্ণের গহনা নতুনের মতো ঝকঝকে রাখবেন যেভাবে, ৫টি কার্যকরী টিপস
স্বর্ণের গহনা (Gold jewelry) শুধু অলংকার নয়, অনেকের জন্য তা আবেগ, স্মৃতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ। তবে নিয়মিত ব্যবহার, ঘাম, ধুলোবালি কিংবা সঠিক সংরক্ষণের অভাবে স্বর্ণের উজ্জ্বলতা (Gold luster) কমে যেতে পারে। একটু সচেতন হলে এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে বছরের পর বছর আপনার প্রিয় গহনা থাকবে একদম নতুনের মতো উজ্জ্বল।

স্বর্ণ বেচতে গেলেই দাম কম? জানুন লোকসান এড়ানোর সহজ উপায়
স্বর্ণকে বলা হয় ‘নিরাপদ বিনিয়োগ’ (Safe investment)। সংকটের সময়ে স্বর্ণের ওপর মানুষের আস্থা চিরকালীন। কিন্তু অনেকেই বিপাকে পড়েন যখন নিজেদের কেনা অলংকার বিক্রি করতে যান। দেখা যায়, বাজারদর চড়া থাকা সত্ত্বেও কেনা দামের চেয়ে বেশ কম মূল্যে স্বর্ণ বিক্রি করতে হচ্ছে। এর পেছনে লুকিয়ে আছে বাজারের কিছু অলিখিত নিয়ম ও গাণিতিক হিসাব।

স্বর্ণের অলংকার বিক্রয়ে নূন্যতম মজুরি ৬ শতাংশ
স্বর্ণের অলংকার বিক্রয়ে নূন্যতম মজুরি ৬ শতাংশ ও পারচেজে বাদের হার কমালো বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আজ (মঙ্গলবার, ১৪ মে) বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।