সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত কয়েকদিনে দুই দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মাঝে বাইকটি সংক্রান্ত তথ্যের অনুসন্ধান আকাশচুম্বী পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে এর রেট্রো লুক, শক্তিশালী ইঞ্জিন এবং আকর্ষণীয় ফিচার স্পোর্টস বাইকপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
আরও পড়ুন:
ইয়ামাহা এক্সএসআর ১৫৫-এর ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স (Yamaha XSR 155 Engine & Performance)
- ইঞ্জিন স্পেসিফিকেশন (Engine Specification): এই বাইকে ব্যবহার করা হয়েছে শক্তিশালী ১৫৫ সিসি লিকুইড-কুলড, ৪-ভালভ, সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন (155cc liquid-cooled engine)। উল্লেখ্য, ইয়ামাহা আর১৫ (Yamaha R15) এবং এমটি-১৫ (Yamaha MT-15) মডেলেও একই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়।
- পাওয়ার ও টর্ক আউটপুট (Power and Torque Output): ইঞ্জিনটি ১০,০০০ আরপিএম-এ ১৮.৪ হর্সপাওয়ার (18.4 HP) এবং ৭,৫০০ আরপিএম-এ ১৪.১ নিউটন-মিটার (14.1 Nm torque) উৎপন্ন করতে সক্ষম।
- গিয়ারবক্স ও ক্লাচ প্রযুক্তি (Gearbox & Assist and Slipper Clutch): এতে রয়েছে সিক্স-স্পিড ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স। দ্রুত গিয়ার শিফটিংকে মসৃণ করতে এবং ডাউনশিফটের সময় পেছনের চাকা লক হওয়া থেকে বাঁচাতে যুক্ত করা হয়েছে অ্যাসিস্ট অ্যান্ড স্লিপার ক্লাচ প্রযুক্তি।
আরও পড়ুন:
চেসিস, ব্রেকিং ও সেফটি ফিচারস (Chassis, Braking & Safety Features)
- আইকনিক ফ্রেম ও সাসপেনশন (Deltabox Frame & USD Fork): ইয়ামাহার বিশ্বখ্যাত ডেল্টাবক্স ফ্রেমে তৈরি বাইকটি হাই স্পিডে চমৎকার স্ট্যাবিলিটি দেয়। এর সামনের চাকায় প্রিমিয়াম আপসাইড-ডাউন (USD) ফর্ক এবং পেছনে দেওয়া হয়েছে লিঙ্কড মনোশক সাসপেনশন।
- এডভান্সড ব্রেকিং ও কন্ট্রোল (Dual Channel ABS & Traction Control): রাইডারের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই চাকাতেই ডিস্ক ব্রেক-এর সাথে রয়েছে ডুয়েল-চ্যানেল এবিএস (Dual-channel ABS)। এছাড়াও সেগমেন্ট সেরা সেফটি ফিচার হিসেবে রয়েছে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল সিস্টেম (Traction Control System)।
- ওজন ও রাইডিং কমফোর্ট (Kerb Weight & Seat Height): বাইকটির কার্ব ওয়েট মাত্র ১৩৭ কেজি, যা চালকের জন্য বাইকটি সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে তোলে। এর ৮১০ মিমি সিট হাইট যেকোনো উচ্চতার রাইডারের জন্য বেশ স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক।
আরও পড়ুন:
আকর্ষণীয় কালার অপশন ও বাজার দর (Yamaha XSR 155 Colors & Price)
বাইকটিকে ভিন্টেজ লুক দিতে ৪টি আকর্ষণীয় কালার ভ্যারিয়েন্টে আনা হয়েছে মেটালিক গ্রে (Metallic Grey), ভিভিড রেড (Vivid Red), গ্রেইশ গ্রিন মেটালিক (Grayish Green Metallic) এবং মেটালিক ব্লু (Metallic Blue)।
আন্তর্জাতিক বাজারে এর এক্স-শোরুম মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১.৫০ লক্ষ রুপি, যা আর১৫ বা এমটি-১৫ এর তুলনায় অনেকটাই সাশ্রয়ী। তবে বাংলাদেশের বাইক প্রেমীরা এর অফিসিয়াল লঞ্চ ও স্থানীয় বাজার দর জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
