প্রথমবারের মতো এই দুই প্রার্থী সরাসরি বিতর্কে অংশ নিচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাকি মাত্র কয়েক সপ্তাহ। এর আগে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে মরিয়া প্রার্থীরা। বিতর্কে কে কাকে ঘায়েল করবেন সেদিকেই নজর কোটি কোটি দর্শকের।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টায় এবিসি নিউজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক। পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া শহরের ন্যাশনাল কনস্টিটিউশন সেন্টারে দেড় ঘণ্টার এই বিতর্ক অনুষ্ঠান চলবে। মডারেটর হিসেবে থাকছেন এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজের হোস্ট ডেভিড মুইর এবং লিন্সে ডেভিস। তারা দুজনই এর আগে প্রাইমারি বিতর্কের সহ-পরিচালক ছিলেন।
বিতর্কের নিয়ম নিয়েও দুই দলের মধ্যে কম জলঘোলা হয়নি। প্রথমে বিতর্কের স্থান ও চ্যানেল নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও, পরে আপত্তি উঠে নিয়মকানুন নিয়ে। অবশেষে দুই পক্ষের সম্মতিতে একজন কথা বলার সময় অন্য জনের মাইক্রোফোন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে বিতর্ক মঞ্চে থাকছে না কোনো দর্শক এবং অনুষ্ঠানে বিজ্ঞাপনের জন্য দুটি বিরতি থাকবে। প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের জন্য প্রত্যেক প্রার্থী ২ মিনিট করে সময় পাবেন।
রিপাবলিকান সমর্থকরা বলছেন, বিতর্কে ট্রাম্পের ভূমিধস জয় হবে। কামালা তার কাছে পাত্তাই পাবেন না। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের দাবি, ট্রাম্পকে কীভাবে শায়েস্তা করতে হবে সেই উপায় জানা আছে কামালার।
আর্থিক ও নারী কেলেঙ্কারি মামলার অভিযোগ নিয়ে ট্রাম্পকে ঘায়েল করার চেষ্টা করবেন কামালা। এদিকে, মার্কিন অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, মুদ্রাস্ফীতি, সীমান্ত নীতি, গর্ভপাত আইন নিয়ে কামালাকে আক্রমণ করতে পারেন ট্রাম্প। নির্বাচনী প্রচারণায়ও একজন আরেকজনকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন ক্রমাগত। বিভিন্ন জরিপ ও স্যুইং স্টেটেও দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে।
মাত্র সাত সপ্তাহ আগে বাইডেন সরে যাওয়ার পর ডেমোক্র্যাটদের নির্বাচনী দৌঁড়ে শামিল হন কামালা হ্যারিস। প্রথম বিতর্কে ট্রাম্পের কাছে অনেকটা ধরাশায়ী হয়েছিলেন বাইডেন। এবার দলের সেই বদনাম ঘুচাতে মরিয়া কামালা। ইতোমধ্যে ফিলাডেলফিয়ায় পৌঁছেছেন তিনি। এদিকে কড়া লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন ট্রাম্পও।




 says was a U.S. strike on an Iranian military targe-320x167.webp)
