প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Bishwa Ijtema 1st & 2nd Phase Schedule)।
আরও পড়ুন:
ইজতেমার সূচি ও দুই পক্ষের প্রস্তাবনা (Zubayer vs Saad Faction Proposals)
বিশ্ব ইজতেমার সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে জুবায়ের ও সাদপন্থি উভয় পক্ষের মুরব্বিদের সঙ্গেই আলাদা বৈঠক সম্পন্ন করেছে সরকার:
- জুবায়েরপন্থিদের অবস্থান: তারা নির্দিষ্ট জানুয়ারি মাসেই দুই পর্বে ইজতেমা শেষ করার পক্ষপাতী এবং অপর পক্ষকে অন্য কোনো স্থানে ইজতেমা করার প্রস্তাব দিয়েছে।
- সাদপন্থীদের প্রস্তাব: মাওলানা সা’দ অনুসারীরা জানুয়ারিতে জুবায়েরপন্থিদের দুই পর্ব শেষ হওয়ার পর রমজানের আগে সুবিধাজনক সময়ে এক পর্বে অথবা চলতি বছরের নভেম্বরের শেষভাগে তাদের ইজতেমা আয়োজনের দাবি জানিয়েছে (Saad Faction Ijtema Date Proposal)।
- চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: উভয় পক্ষের প্রস্তাব ও দাবি খতিয়ে দেখে সবার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বিশ্ব ইজতেমার চূড়ান্ত তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আরও পড়ুন:
মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসার বিষয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ (Maulana Saad Visa & Law Order Update)
বিশ্ব ইজতেমায় বিশ্ব তাবলিগ জামাতের অন্যতম শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা মোহাম্মদ সাদের উপস্থিতি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান:
- ভিসা ও নীতিমালা: ইজতেমা উপলক্ষে মাওলানা সাদের বাংলাদেশে আসা এবং উপস্থিতি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত নীতিমালা ও ইমিগ্রেশন ভিসা ক্লিয়ারেন্সের ওপর (Maulana Saad Bangladesh Visit Rules BD)।
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে এবং বিগত সময়ের তুলনায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
- আভ্যন্তরীণ নজরদারি: ইজতেমা চত্বর ও পুলিশের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:




