ফিফার দাবি উড়িয়ে বিশ্বকাপে বেটিংয়ের অভিযোগ

ফিফা
ফিফা | ছবি : সংগৃহীত
0

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বেটিং বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি-ফিফার এমন দাবির ঠিক একদিন পরই সামনে এসেছে ভিন্ন তথ্য। আন্তর্জাতিক স্বাধীন পর্যবেক্ষক সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপ বলছে, টুর্নামেন্টে অন্তত সাতটি ঘটনায় বেটিং-সংক্রান্ত অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েছে।

মনে রাখার মতো অসংখ্য স্মৃতি উপহার দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপের এবারের আসর। টুর্নামেন্ট শেষে ফিফা জানায়, আসরের ১০৪টি ম্যাচেই ছিলো স্বচ্ছ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপের দাবি, টুর্নামেন্ট চলাকালে তারা সাতটি ‘ইয়েলো অ্যালার্ট’ শনাক্ত করেছে।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ছিল স্পেন ও সৌদি আরবের ম্যাচ। সেই ম্যাচে স্পেনের ফেরান তোরেসের একটি গোল বাতিল করতে ভিএআর সময় নেয় সাড়ে তিন মিনিট। এছাড়া স্পেন-কেপ ভার্দে ম্যাচে স্পেন জিততে পারবে না- এমন পূর্বাভাসে একটি প্রেডিকশন মার্কেটে ৩৫ লাখ পাউন্ডের বেশি অর্থ লেনদেন হয়েছিল। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র হয়।

আরও পড়ুন:

উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার থেম্বা জোয়ানের লাল কার্ড নিয়েও আছে সন্দেহ। এর পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনকে ঘিরে। বসনিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখার দিনই একটি প্রেডিকশন মার্কেটে বাজি ধরা শুরু হয়- বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি খেলবেন কি না। অথচ ফিফা তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানায় তিন দিন পর। টুর্নামেন্টে লাল কার্ড পাওয়া অন্য ১৪ খেলোয়াড়কে নিয়ে এমন কোনো বাজি খেলা হয়নি।

কোপেনহেগেন গ্রুপের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ২৪০ বিলিয়ন ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, তাদের শনাক্ত করা অ্যালার্টগুলো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রমাণ নয়, বরং এগুলো নিয়ে আরও তদন্ত প্রয়োজন।

উপরোক্ত ঘটনাগুলোর বিষয়ে ফিফার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে কোপেনহেগেন গ্রুপ। তবে ফিফা এখনো সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এফএস