
আসনগুলোতে পাঠানো শুরু হয়েছে ব্যালট, বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা
নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষে এখন চলছে ভোটের প্রস্তুতি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট আসনে পাঠানো হয় ব্যালট পেপার-বাক্সসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম। নিরাপত্তায় মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। সড়ক-মহাসড়কসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলছে টহল।

প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারণা শেষ; ইসির ভোট নেয়ার প্রস্তুতিও সম্পন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা। আজ (মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময়ের ৪৮ ঘণ্টা আগে আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরনের প্রচার কার্যক্রম শেষ হয়।

নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে কড়া নিরাপত্তা, ভোটের মাঠে থাকবে প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
নির্বাচনি সহিংসতা ঠেকাতে আগে থেকেই মাঠে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী সাতদিনের জন্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে মোতায়েন শুরু হয়েছে বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৭০ হাজার সদস্য। এছাড়াও দায়িত্ব পালন করবেন ১ হাজারের বেশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

‘সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি’
অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স বিবৃতি
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলা, হুমকি ও কাজে বাধা প্রদানের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স’। সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণকে স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য মারাত্মক হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে সংগঠনটি।

পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে: অন্তর্বর্তী সরকার
পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে বলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আজ (শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

দেড় বছরেও উদ্ধার হয়নি লুট হওয়া অস্ত্র, ভোটের মাঠে ব্যবহারের শঙ্কা স্থানীয়দের
৫ আগস্টের পরে সদর কোর্ট আদালতের মালখানায় ভাঙচুর করে ৭০টি আগ্নেয়াস্ত্র, শত শত রাউন্ড গুলি লুট হয়। দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও লুট হওয়া এসব অস্ত্র ও গুলি এখনো উদ্ধার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র আগামী সংসদ নির্বাচনে ব্যবহারের শঙ্কায় স্থানীয় ভোটাররা।

রাজপথে নির্বাচনি উত্তাপ, সহিংসতায় প্রাণহানি—ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
নির্বাচনি উত্তাপ রাজপথে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কখনও জড়িয়ে পড়ছেন বাকযুদ্ধে। কখনও সংঘর্ষে। এরইমধ্যেই প্রতিপক্ষের হামলায় শতাধিক ব্যক্তি আহতের পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বড় দুই দলই নেতাকর্মীদের ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কিভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাজিয়েছে নিরাপত্তা?

আমরা বসন্তের কোকিল না, সিজনাল পলিটিশিয়ানও না: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তার দল বসন্তের কোকিল না, এমনকি সিজনাল পলিটিশিয়ানও না। গত ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম হলেও জামায়াত জনগণকে ছেড়ে যায়নি বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আজ (বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‘নির্বাচন উপলক্ষে সব জেলা-উপজেলায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য পৌঁছে গেছে’
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী হাইদার সিদ্দিকী বলেছেন, নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে গেছে। আজ (মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানান তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম।

নির্বাচনি সহিংসতায় ইসির ‘ভূমিকা’ নিয়ে প্রশ্ন; কঠোর ব্যবস্থার তাগিদ বিশ্লেষকদের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি এমন নীরব থাকলে নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা আরও বাড়বে এবং ভোটের হার কমবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সেজন্য আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে সাময়িক প্রচার বন্ধ রাখাসহ ধরন অনুযায়ী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ বিশ্লেষকদের।

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ‘তালিকাভুক্ত বাহিনী’ চায় বিএনপি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যাদের নাম যুক্ত, শুধু সেসব প্রতিষ্ঠানই যাতে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করে তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। সেইসঙ্গে বিএনসিসির ছাত্রদের ভোটে যুক্ত না করতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আজ (রোববার, ১ ফেব্রুয়ারি) সিইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।

পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতীত্বের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।