
শ্রমিক সংকট সামলাতে যশোরের কৃষকদের ভরসা ধান রোপণ মেশিন
যশোরে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। শ্রমিক সংকট আর বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে কৃষকরা এখন ব্যবহার করছেন ধান রোপণ মেশিন। এতে কম সময়ে বেশি জমিতে ধান রোপণ করা যাচ্ছে। যার ফলে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ কম হবে, অন্যদিকে ফলনও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।

কুষ্টিয়ায় ভেজাল সার বিক্রি, লাখ টাকা জরিমানা
কুষ্টিয়ায় ভেজাল ডিএপি সার বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় জব্দ করা হয়েছে ২৫ বস্তা ভেজাল সার।

নওগাঁয় কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ, বিপাকে কৃষকরা
নওগাঁয় সারের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি দাম নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ৫০ কেজির ডিএপি ও ইউরিয়া সার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও কৃষি বিভাগ বলছে, সারের কোনো সংকট নেই।

ফরিদপুরে প্রায় ২ লাখ টন পাট উৎপাদনের আশা
দেশের অন্যতম প্রধান পাট উৎপাদনকারী জেলা ফরিদপুরে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও জাগ দেয়ার সময় খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি থাকায় এবার পাটের ফলন, রং ও গুণগত মান ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগের আশা, চলতি মৌসুমে জেলায় প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার টন পাট উৎপাদন হবে।

ফরিদপুরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের মুখে
ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কা
ফরিদপুরে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া ও ভালো ফলনে জেলায় পেঁয়াজের উৎপাদনও হয়েছে ব্যাপক। তবে উৎপাদন বেশি হলেও বর্তমানে চাষি পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম নিয়ে সন্তুষ্ট নন কৃষকরা। প্রকারভেদে প্রতি মণ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা দরে।

ফরিদপুরে ৮৭ হাজার হেক্টরে পাটের আবাদ; উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৯৫ হাজার টন
চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় ৮৭ হাজার হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা পাট কাটা, জাগ দেয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার পাটের ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ। তবে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা।

উজানের ঢলে ডুবে গেছে গোমতী চরের ফসলের মাঠ
কুমিল্লায় উজানের ঢলে গোমতী নদীর পানি বেড়ে ডুবে গেছে চরের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির নিচে তলিয়ে গেছে কৃষকদের সবজির আবাদ। ফলে বাজারে তোলার আগেই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় পড়েছে পরিপক্ব ফসল।

লাভজনক হওয়ায় ফরিদপুরে বাড়ছে আম চাষ
কৃষিপ্রধান জেলা ফরিদপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে- বাণিজ্যিক আম চাষ। আধুনিক পদ্ধতি, সরকারি সহযোগিতা এবং লাভজনক বাজার ব্যবস্থার কারণে প্রতি বছরই বাড়ছে আম বাগানের সংখ্যা। কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে, এ বছর প্রায় ২ হাজার টন আম উৎপাদিত হবে, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা যাবে।

যশোরে মিষ্টি আঙুর চাষে সাফল্য; আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
যশোরে বাণিজ্যিকভাবে মিষ্টি জাতের আঙুর চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আঙুরের ক্ষেত দেখতে ভিড় করছেন। আর ঝুলন্ত আঙুর দেখে অনেকে আঙুর চাষে উৎসাহীও হচ্ছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

নেত্রকোণায় আগাম বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি; লোকসানের মুখে হাওরের কৃষকরা
পানি নেমে যাওয়ায় নেত্রকোণায় ডুবে যাওয়া ফসল কেটে ঘরে তুলছেন হাওরের কৃষকরা। বাড়তি টাকা খরচ করে ফসল কাটলেও অনেক ধান এখন বিক্রির অনুপযোগী। সব মিলিয়ে অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যায় জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ৩৭৫ কোটি টাকা। কৃষি বিভাগ বলছে, তালিকা করে প্রণোদনার আওতায় আনা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।

ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সাড়ে চারশো বিঘা ধানখেত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় সাড়ে চারশো বিঘা আধাপাকা ধানখেত। গত তিন দিন থেকে আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) দুপুর পর্যন্ত উপজেলার সীমান্তঘেঁষা রাধানগর ইউনিয়নের বিল তিলনা, তিলকুচ, সুখডোবা ও গুমরোহিল এলাকার বিস্তীর্ণ জমিতে পানি ঢুকে অন্তত ৬০ হেক্টর ধান ডুবে গেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।

হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; সর্বস্ব হারিয়ে বিপন্ন কৃষকরা
হবিগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। জেলার বিস্তীর্ণ হাওরের ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে রোদের অভাবে মাড়াই করা ধানও শুকাতে না পারায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে জলে-স্থলে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।