গণভোটে
জাতীয় সংসদের সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে কোন দল কত আসন পাবে?

জাতীয় সংসদের সম্ভাব্য উচ্চকক্ষে কোন দল কত আসন পাবে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (13th National Parliamentary Election) নিরঙ্কুশ জয়ের পাশাপাশি জুলাই সনদ (July Charter) বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত গণভোটের (Referendum) ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গণভোটে ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় এখন প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ (Upper House) গঠন করা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপি ও অন্যান্য দলের মধ্যে ভিন্নমত লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গণভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত: সুপ্রদীপ চাকমা

গণভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সিদ্ধান্ত: সুপ্রদীপ চাকমা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, গণভোট শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটা একটা রাষ্ট্রের চিন্তা। আমরা রাষ্ট্রকে কীভাবে দেখতে চাই। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে-এটাই আমাদের গণভোট। আজ (শনিবার, ১৭ জানুয়ারি) রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে মতবিনিময় সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

‘সংবিধান থেকে একাত্তর মুছে যাবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চলছে’

‘সংবিধান থেকে একাত্তর মুছে যাবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না বলে অপপ্রচার চলছে’

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, একটি মহল প্রচারণা চালাচ্ছে যে জুলাই সনদ পাস হলে সংবিধান থেকে ১৯৭১-কে মুছে ফেলা হবে, বিসমিল্লাহ থাকবে না—এসব কথা ঠিক নয়। আজ (বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে প্রায় ১২০০ ইমামকে গণভোট উদ্বুদ্ধকরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শেষ চার মাস আমাকে কাজ করতে দেয়া হয়নি: মাহফুজ আলম

শেষ চার মাস আমাকে কাজ করতে দেয়া হয়নি: মাহফুজ আলম

মন্ত্রণালয়ের শেষ চার মাস সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে কোনো কাজ করতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। আজ (মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং গণভোটের প্রাসঙ্গিকতা শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোতে অধ্যাদেশ দিয়ে সাংবিধানিক সংশোধনী সম্ভব নয়। আবার যেকোনো অধ্যাদেশ বাতিল করে দিতে পারে উচ্চ আদালত কিংবা পরবর্তী সংসদ। তাই জুলাই সনদের আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিতে ‘বিশেষ সাংবিধানিক আদেশ’ জারির পরামর্শ দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্যের পাশাপাশি গণভোটে পাশ হলে পরবর্তী সংসদ জুলাই সনদ মানতে বাধ্য। তখন আদালতের দায়িত্ব হবে নতুন সংবিধান রক্ষা করা। তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ কিংবা সংস্কার পরিষদ সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি বলে মনে করছেন অনেকে।