
সংসদে নতুন এমপিদের ভুল তথ্য ও আপত্তিকর বক্তব্য, রীতিনীতি মানার আহ্বান স্পিকারের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাস প্রতিনিয়ত ভুল তথ্য দিচ্ছেন সাংসদরা। বক্তব্যে ব্যবহার করছেন মানহানিকর শব্দ। এমনকি বিদ্রূপ করতেও দেখা যাচ্ছে অনেককে। ফলে এসব নিয়ে সংসদের ভেতরে বাইরে বাড়ছে আলোচনা- সমালোচনা। সংসদীয় রীতি নীতি মেনে সংসদে বক্তব্য দিতে বারবার আহবান জানাচ্ছেন স্পীকার। আর সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, বেশিরভাগ সংসদ সদস্যই নতুন হওয়ায় সংসদীয় আচরণের ঘাটতি রয়েছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞ শরিফ ভুঁইয়ার মতে, সংসদে কথা বলার ক্ষমতা অবারিত হলেও আইনসভার সদস্যদের নিজেদের আইন মেনে চলতে হবে।

সংসদে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বিকল্প দায়িত্ব নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে (13th National Parliament) মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সংসদ-বিষয়ক কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ (Cabinet Division) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজ্ঞাপন (Gazette Notification) জারি করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ৭৬ শতাংশই নতুন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (13th National Parliamentary Election) বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে অন্তত ২০৯ জনই (৭০ শতাংশ) প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়ে সংসদে পা রাখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন (Qualitative Change in Politics) হিসেবে দেখছেন।