
যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে কী প্রভাব ফেলবে?
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেল ও জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুটগুলো বিঘ্নিত হওয়ায় বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় দাম বেড়ে ৬ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা এক মাস আগেও ছিল ৫ দশমিক ৬১ ডলার।

বিশ্বজুড়ে রিফাইনারি সংকট; রেকর্ড উচ্চতায় ডিজেল ও জ্বালানি তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে শুধু অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে না, বরং তেল শোধনাগার বা রিফাইনারিগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রেকর্ড গতিতে বাড়ছে ডিযেল ও অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানির দাম।

প্রতি লিটার ডিজেলে সরকারকে ৭০ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিশ টাকা দাম বাড়িয়েও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, খনিজ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আজ (সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

জ্বালানির দামে বিশ্বজুড়ে চাপ, বাংলাদেশের সঙ্গে কোন দেশের কত পার্থক্য?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতার (Global Oil Market Volatility) মধ্যে বাংলাদেশেও বেড়েছে সব ধরনের জ্বালানির দাম। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেল (Diesel Price), কেরোসিন (Kerosene Price), পেট্রল (Petrol Price) ও অকটেনের দাম (Octane Price) লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে ডিজেলের দাম ১১৫ থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫, পেট্রল ১৪০ থেকে ১৬০ এবং অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা হয়েছে।

বাংলাদেশে বাড়ার দিনই বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম, লিটারপ্রতি কত?
বাংলাদেশে লিটারপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম ২০ টাকা বাড়ার দিনেই বিশ্ববাজারে আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দাম কমার খবর মিললো। আজ (সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর) থেকে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ায়। তবে ঠিক একই দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই (WTI Crude) উভয় বেঞ্চমার্কেই জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা নিম্নমুখী দেখা গেছে (Global Crude Oil Price Drop BDT Per Litre 2026)।

দেশে সব ধরনের জ্বালানির দাম লিটারে বাড়লো ২০ টাকা
দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। এর ফলে বর্তমানে ডিজেল প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে।

রেকর্ড ডিজেল-জ্বালানি ব্যয়, মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা
ডিজেলের রেকর্ড মূল্য, কৃষি উৎপাদনের খরচ ও সার্বিক জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায় আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কা উঁকি দিচ্ছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান শিবিরে। এরই মধ্যে ভার্জিনিয়ায় শুরু হওয়া আগাম ভোটগ্রহণে অনেক সুইং ভোটার পরিবর্তনের আভাস দিয়ে বিরোধী ডেমোক্রেট শিবিরকে বেছে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়া নিয়ে যখন মার্কিন জনজীবনে নাভিশ্বাস, তখনও ট্রাম্পের দাবি, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেড়েছে মার্কিনিদের আয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লাইসেন্স ছাড়াই গোডাউনে ডিজেল মজুতের দায়ে মালিককে জরিমানা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে লাইসেন্স ছাড়াই দোকানের গোডাউনে মজুত রাখা প্রায় ৩ হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় গোডাউনের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ডিজেল-সারের দাম বাড়তি: ৪০ বছরের সবচেয়ে বড় সংকটে মার্কিন কৃষকেরা
যুক্তরাষ্ট্রের কর্ন বেল্ট অঞ্চলের শস্যচাষিরা বলছেন, ডিজেল ও সারের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তারা ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান যুদ্ধের জেরে জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের খরচ বেড়েছে বলে তারা অভিযোগ করছেন। এতে ভুট্টা ও সয়াবিন উৎপাদনকারীদের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে খাদ্যপণ্যের দামেও।

জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত
ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আগস্ট মাসের জন্য প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৪০ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৩৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আগামী ৪৮ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না: মন্ত্রণালয়
আগামী ৪৮ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না বলে জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি জ্বালানি সংকট নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরের কোনো ভিত্তি নেই বলে জানান যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

সৌর পাম্পে সেচ, তবু ভরসা জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতে!
ডিজেলের বিকল্প হিসেবে কৃষিতে সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব সেচ নিশ্চিত করতে দেশে চালু করা হয়েছিল সৌরচালিত সেচ পাম্প। কিন্তু দিনাজপুরে সেই সৌর পাম্পের অনেকগুলোই এখন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, যে প্রযুক্তির লক্ষ্য ছিলো বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমানো, সেটি কেন আবার বিদ্যুতের ওপরই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে?