বাজেট ঘাটতি
রাজস্ব আদায়ের বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশনের আশা এনবিআরের

রাজস্ব আদায়ের বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশনের আশা এনবিআরের

নতুন অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা যোগান দিতে হবে এনবিআরকে। যদিও তারা বলছে, লক্ষ্য অর্জন কঠিন হলেও অর্থবছর শেষে রাজস্ব লক্ষ্যের সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ আদায় হতে পারে। এদিকে, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ মনে করেন, রাজস্ব আদায়ে একটি সংস্থার ওপর নির্ভরতা কমানো না গেলে থেকে যাবে ঘাটতি। আর জনগণের আয় না বাড়লে করজাল সম্প্রসারণ করেও তেমন লাভ নেই।

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট; ঘাটতি মেটাতে বিপুল ঋণের শঙ্কা

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট; ঘাটতি মেটাতে বিপুল ঋণের শঙ্কা

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বড় আকারের বাজেট দিয়েছে বিএনপি সরকার। যেখান মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। যা জিডিপির প্রায় ১০ দশমিক ২ শতাংশ। সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের ঘাটতি পূরণে বিদেশি ও দেশিয় উৎস থেকেই ঋণ ও সহায়তা নেবে সরকার। যদিও এর দায় মেটানো নিয়ে আছে শঙ্কা।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা কি এবারও থাকবে?

বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা কি এবারও থাকবে?

আসন্ন বাজেট নিয়ে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। তবে প্রতিবারের মতো এবারও বড় দুশ্চিন্তার জায়গা—বাজেট ঘাটতি মেটাতে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা। বিগত পাঁচ বছরে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে লাগামহীনভাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানের তারল্য সংকটের এই সময়ে সরকার যদি আবারও ব্যাংক থেকেই বড় অঙ্কের ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করে, তবে নতুন করে সংকটে পড়বে দেশের বেসরকারি খাত, নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপরে।

তেল বিক্রি কমায় সৌদি আরবের বাজেট ঘাটতি ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার

তেল বিক্রি কমায় সৌদি আরবের বাজেট ঘাটতি ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় তেল রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় বড় ধরনের বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে সৌদি আরব। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৫৭ কোটি রিয়াল বা প্রায় ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। আল জাজিরা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইএমএফ থেকে আরও ঋণ পাচ্ছে পাকিস্তান

আইএমএফ থেকে আরও ঋণ পাচ্ছে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে ৭০০ কোটি ডলারের প্রাথমিক ঋণচুক্তি করেছে পাকিস্তান। এই চুক্তির মধ্য দিয়ে চাঙা হবে দেশের অর্থনীতি। ইসলামাবাদ জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির ঋণের বিনিময়ে কিছু ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করতে হবে। বাড়াতে হবে করহার।