
গাজায় সংঘাতে ইসরাইলকে অস্ত্র দিয়েছে ৫১ দেশ
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গাজা গণহত্যার বিরুদ্ধে দেয়া রায় উপেক্ষা করে, পুরো যুদ্ধের সময় ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানি করেছে গণহত্যা কনভেনশেনে স্বাক্ষরকারী ৫১ দেশ। এমনকি গেল বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও, ২০২৫ সালের শেষ দুই মাসেই ইসরাইলে ৮৯ দশমিক ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র রপ্তানি করা হয়। বিশ্লেষকরা বলছে, গাজাকে নরক বানানোর ক্ষমতা ইসরাইলের একার পক্ষে না থাকলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের নতজানু দেশগুলোর অস্ত্র সরবরাহ সহজ করেছে গাজাজুড়ে ইসরাইলের কিলিং মিশন।

৫ বছরে অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষে ইউক্রেন, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্র
সারাবিশ্বে সমরাস্ত্র বিক্রির পরিমাণ ও শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ অপরিবর্তনীয় থাকলেও নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন এসেছে অস্ত্র কেনা দেশের। সামরিক খাতের বিশ্বস্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপ্রির প্রতিবেদন বলছে, গেলো পাঁচ বছরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র কেনার দেশে পরিণত হয়েছে ইউক্রেন। অস্ত্র রপ্তানিতে অপ্রতিরোধ্য অবস্থান ধরে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বিদেশি অর্থ সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করছে ট্রাম্প প্রশাসন
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির দেশের দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই বিদেশি সব ধরনের অর্থ সহায়তা কার্যক্রম স্থগিত করে দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফাঁস হওয়া নথিতে বলা, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও বলেছেন, খাদ্য আর দুই দেশে সামরিক সহায়তা ছাড়া তিন মাসের জন্য স্থগিত হচ্ছে এই কার্যক্রম। অথচ ইউক্রেন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র রপ্তানি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
-320x180.webp)
কাতারের রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ
বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কাতারের রপ্তানি বেড়েছে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যানুযায়ী, পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও হাইড্রোকার্বন রপ্তানি বাড়াতে বড় প্রভাব রেখেছে। আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্বজুড়ে অস্ত্র কেনা-বেচা বেড়েছে কয়েকগুণ
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে অস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে। এরপর হামাস-ইসরাইলের যুদ্ধের আঁচ লেগেছে মধ্যপ্রাচ্যে। গত পাঁচ বছরে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ায় অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ। অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ আছে ভারত, আর রপ্তানির শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি এসআইপিআরআই-এর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

গাজা ভূখণ্ড এখন মৃত্যুপুরী : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
অবিরাম ইসরাইলি আগ্রাসনে গাজা ভূখণ্ড মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।