
ঈদুল আজহায় টানা ১১ দিনের ছুটি মেলাবেন যেভাবে
ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা (Eid-ul-Adha) উপলক্ষে ২০২৬ সালে সরকারি চাকরিজীবীরা পেতে যাচ্ছেন এক বিরল সুযোগ। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Public Administration) ছুটির ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সামান্য কিছু কৌশলী পদক্ষেপ নিলেই টানা ১১ দিনের দীর্ঘ অবকাশ (Long Vacation) উপভোগ করা সম্ভব। নাড়ির টানে গ্রামে ফেরা মানুষের জন্য এটি হতে পারে বছরের সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক বিরতি।

আবারও ৩ দিনের ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা, শুরু যেদিন থেকে
পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ সাত দিনের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে (Workplace) যোগ দিতে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। তবে গত ২৩ ও ২৪ মার্চ বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢাকায় ফিরলেও আজ (বুধবার, ২৫ মার্চ) বিকেল থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে (Dhaka Railway Station) দেখা গেছে ভিন্ন এক চিত্র। অফিসের কাজ সেরে আবারও অনেকেই রাজধানী ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ির পথে (Heading home) রওনা হচ্ছেন।

সাপ্তাহিক রিপোর্ট জমা না দিলে চাকরিচ্যুতি: ইলন মাস্কের হুমকি
সাপ্তাহিক কাজের রিপোর্ট জমা না দিলে, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তাদের আবারও চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিলেন সরকারি দক্ষতা বিভাগের প্রধান ইলন মাস্ক। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যারা সরকারের জন্য কাজ করছে না তাদের খুঁজে বের করতে সহায়তা করবে মাস্কের এমন পদক্ষেপ। একইসঙ্গে, বিভিন্ন সাহায্য সংস্থার পাশাপাশি ফেডারেল কর্মীদের ব্যাপক ছাঁটাইয়েরও ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যা নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে আছেন ২৩ লাখ সরকারি চাকরিজীবীরা। এদিকে, মার্কিন সিভিল সার্ভিস পরিচালনাকারী সংস্থা বলছে, মাস্কের ই-মেইলের জবাব দেয়া বাধ্যতামূলক নয়।

উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে সংসার চালাতে টালমাটাল চাকরিজীবীরা
গত কয়েক বছর ধরেই উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে টালমাটালভাবে সংসার চালাচ্ছেন চাকরিজীবীরা। আওয়ামী সরকারের আমলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়ে গেলে ঋণ করে জীবনধারণ করতে হয়েছে পেশাজীবী মানুষদের। যেখানে বেতন বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতি থেকে ১-২ শতাংশ বেশি হতে হয়, সেখানে খরচ কয়েকগুণ বাড়লেও কর্মজীবি মানুষের আয় বেড়েছে নামমাত্র। তাই নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যয়ের সাথে আয় বৃদ্ধির পরামর্শ দেন অর্থনীতিবিদরা।

জুলাই বিপ্লবের কন্যারা ইতিহাস পরিবর্তনের 'নায়িকা': প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া মেয়েদেরকে ইতিহাস পরিবর্তনের নায়িকা বলে সম্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ (মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে 'জুলাইয়ের কন্যারা আমরা তোমাদের হারিয়ে যেতে দেব না' শীর্ষক আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এতে জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীরা অংশ নেন। কর্মজীবী নারীদেরও এতে অংশ নিতে দেখা যায়।

কেন্দ্রীয়করণ নীতির খেসারত; ভবিষ্যৎ কী ঢাকার
দিন দিন রাজধানী ঢাকার চাহিদা বেড়েই চলেছে। চাকরিজীবী, সেবাগ্রহীতা কিংবা রোগী দেশের সকল নাগরিকের ভরসার শেষ জায়গা যেন রাজধানী ঢাকা। নানা কারণে, প্রয়োজনে, নানা স্বার্থে ঢাকা যেন হয়ে উঠছে রোজগারের নগরী হিসেবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এর জন্য দায়ী ঢাকাকে কেন্দ্রীয়করণ করার নীতি। বারবার বলা হলেও কিংবা পরিকল্পনা নেয়া হলেও ঢাকাকে এখনও বিকেন্দ্রীকরণ করার উদ্যোগ নেয়নি সরকার। যদিও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলছেন, ঢাকামুখীতা নিরুৎসাহিত করতে শহরের নাগরিক ট্যাক্স কয়েকগুন বাড়িয়ে দিতে হবে।

ইসরাইলি হামলায় নগদ অর্থ সংকটে গাজাবাসী
অবরুদ্ধ গাজায় দিন দিন নগদ অর্থের সংকট তীব্র হচ্ছে। ইসরাইলি সেনাদের হাতে সেখানকার সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হওয়ায় এ সংকটে পড়েছে গাজাবাসী। এছাড়া এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ কেটে নিচ্ছে বুথগুলো।

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহ বাড়ছে শিক্ষার্থীদের
দেশ ছেড়ে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে শিক্ষিত তরুণদের। স্কলারশিপসহ লোভনীয় সব সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তায় আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া হয়ে উঠেছে এসব শিক্ষার্থীর গন্তব্য। শুধু শিক্ষার্থী নয়, উন্নত জীবনযাপনের আশায় দেশ ছাড়ছেন চিকিৎসক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।