
বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের চাহিদা বাড়ায় কমেছে আমদানি
একসময় দেশের বাজারে টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি মানেই ছিলো বিদেশি ব্র্যান্ডের আধিপত্য। তবে সময় বদলেছে। দেশিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু দেশের চাহিদাই মেটাচ্ছে না, আন্তর্জাতিক বাজারেও জায়গা করে নিচ্ছে, কমেছে আমদানি। বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত টিভি, ফ্রিজ ও এসি। বর্তমানে দেশে এসব পণ্যের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বাজার রয়েছে। প্রতিবছর ২০-২৫ শতাংশ হারে বড় হচ্ছে গৃহস্থালি ইলেকট্রনিক পণ্যের এ খাতটি।

দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমায় বিদেশের বাজারে প্রভাব পড়ছে
ইউরোপ-আমেরিকায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমায় বাজারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এখন টেলিভিশনের পক্ষ থেকে কানাডায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা গেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার শীতকালীন পণ্য অনেকটাই কম। বিপরীতে বাজার সম্প্রসারণ করছে ভারত, চীন, ভিয়েতনামের মতো প্রতিদ্বন্দ্বি দেশগুলো। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে আধিপত্য কমবে 'মেইড ইন বাংলাদেশ' পোশাকের।

ইউরোপে জনপ্রিয় হচ্ছে 'মেড ইন বাংলাদেশ' বাইসাইকেল
যান্ত্রিক যানবাহন আর গতির এ যুগে অনেকের কাছে এখনও প্রিয় অযান্ত্রিক বাহন বাইসাইকেল। কারও কাছে রুটি-রুজি, কারও কাছে শখের এ বাহন এখনও দাপিয়ে বেড়ায় নগরীর সড়ক। গবেষণা বলছে, দেশে সাইকেলের বাজার প্রায় ৮০০ কোটি টাকার, যা ২০২৯ সালে পৌঁছাবে এক হাজার কোটিতে। পাশাপাশি ইউরোপের নানা দেশের সড়কেও আধিপত্য আছে মেড ইন বাংলাদেশের সাইকেলের।