বিদ্যুৎ সংকটে অচল চাঁদপুর বিসিক শিল্পনগরী; অর্ধেকে নেমেছে উৎপাদন

লোডশেডিং-গ্যাস সংকটে ব্যাহত  উৎপাদন
লোডশেডিং-গ্যাস সংকটে ব্যাহত উৎপাদন | ছবি: সংগৃহীত
0

চাঁদপুর বিসিক শিল্পনগরীতে বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। দিনের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় থেমে যাচ্ছে কারখানার মেশিন। বাড়তি খরচে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে অনেক প্রতিষ্ঠানকে। শিল্প উদ্যোক্তাদের দাবি, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে।

বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ সিলভার কারখানার তৈজসপত্র তৈরির সকল যন্ত্র। দুপুরেও অলস সময় পার করছে শ্রমিকরা। চাঁদপুর বিসিকের এ সিলভার কারখানার চিত্রই তুলে ধরছে বিদ্যুৎ সংকটে শিল্পের দুর্ভোগ।

শুধু সিলভার কারখানা নয়, বিসিক শিল্পনগরীতে রয়েছে গার্মেন্ট, খাদ্য উৎপাদন, কোল্ডস্টোরেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনও।

শ্রমিকরা জানান, বিদ্যুতের অভাবে তারা কাজ করতে পারে না। ৪ তেকে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

বিসিকে রয়েছে ৩৩টি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ২৭টি বর্তমানে চালু রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে। বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসায় নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি। দিনের প্রায় অর্ধেক সময়ই বিদ্যুৎ থাকছে না। সমস্যা সমাধানের দাবি শিল্প উদ্যোক্তাদের।

আরও পড়ুন:

শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের একজন বলেন, ‘বিদ্যুতের সংকটে আমাদের খারাপ অবস্থা দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।’

বিসিক কর্তৃপক্ষও স্বীকার করছে, বিদ্যুৎ সংকটে উদ্যোক্তারা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের কথা জানান তারা।

চাঁদপুর বিসিক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শাহরিয়ার খান বলেন, বিসিকের বিষয়ে তারা হয়তো চিন্তা করছেন ভবিষ্যতে আলাদা কোনো স্থান স্থাপন করে বিসিকের লাইন আলাদা করা যায় না কি। বিকল্প জালানির ব্যবস্থা করে তাদের কাজ করেতে হচ্ছে।’

শিল্পের চাকা সচল রাখতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে থেমে যাচ্ছে উৎপাদন। তাই দ্রুত এ সংকট সমাধান চান শিল্প উদ্যোক্তারা।

এফএস