প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কনের বাড়িতে বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। তবে এর মধ্যে বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান। কনের জাতীয় পরিচয় পত্রসহ কাগজ যাচাই শেষে বাল্য বিবাহের সত্যতা পেয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয় প্রশাসন।
ওই কিশোরীর প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেয়ার বিষয়ে কনের বাবা আব্দুল জলিলের কাছ থেকে নেয়া হয় মুসলেকা ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা বাল্যবিবাহের বিষয়টির তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই এলাকায় গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেই। প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।’
সেই সঙ্গে কোথাও বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান করেন তিনি।





