নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান জানান, সকালে হাসপাতালের পেছনে একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হলে তার নাম লিটন বলে জানা যায়।
নিহত লিটন নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকার আলম সাহেবের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তিনি চাঁদপুর সদর থানার মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নারায়ণগঞ্জ স্পেশালাইজড হসপিটালের পেছনে আব্রাহাম ডেভেলপার কোম্পানির নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের ভাগিনা আলমগীর হোসেন জানান, লিটন আগে এমব্রয়ডারি কারখানায় কাজ করতো। ছয় মাস আগে থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ শুরু করেন। আমরা তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে হাসপাতালে আসি।





