জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, কাঁচপুরের ঘটনায় দগ্ধ চারজন দু’টি পরিবারের সদস্য। অন্যদিকে, ফতুল্লায় রাসায়নিক দগ্ধ হয়েছেন দুই শ্রমিক। তাদের দু’জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
গতকাল (শনিবার, ১০ অক্টোবর) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে কাঁচপুরে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, এতে চারজন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের শরীরের প্রায় ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পুড়ে গেছে।
এদিকে, গতকাল রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফতুল্লায় রাসায়নিক দগ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ দুই শ্রমিককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। তাদের শরীরের প্রায় ৫৪ ও ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
আরও পড়ুন:
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, কাঁচপুরের ঘটনায় দগ্ধ চারজনকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা ও আঘাতের ধরন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফতুল্লার ঘটনায় দগ্ধ দুই শ্রমিকও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। তাদের চিকিৎসা চলছে।
অন্যদিকে, নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকায় একটি বাড়ির রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ভোরে ঘটা এ বিস্ফোরণে নারী-পুরুষসহ তিনজন আহত হন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নারায়ণগঞ্জের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরিফিন জানান, বিস্ফোরণে আহত তিনজনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের খানপুরের ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন শিখা রানী, মনা আচার্য এবং মনার মা। এ ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এ বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।




