পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি নিজের প্রথম দুর্গাপূজা উদযাপনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এটাই আমার প্রথম দুর্গাপূজা। আমি এমন একটি জায়গায় যেতে চেয়েছিলাম, যেখানে এর আগে কোনো রাষ্ট্রদূত যাননি। এখানকার নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনা, চমৎকার সাজসজ্জা এবং সামগ্রিক আয়োজন আমাকে অত্যন্ত মুগ্ধ করেছে। আপনাদের আন্তরিক আতিথেয়তা এবং এই আনন্দময় উদযাপনের অংশ হওয়ার সুযোগ দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফরকে কেন্দ্র করে আমলাপাড়া পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। মণ্ডপের সাজসজ্জা, নৃত্যশিল্পীদের পরিবেশনা এবং পূজার সামগ্রিক আয়োজন ঘুরে দেখেন তিনি। এসময় রাষ্ট্রদূত আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব দুর্গাপূজার আয়োজন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
ক্রিস্টেনসেন পূজামণ্ডপে গিয়ে সেখানকার শিল্প-সংস্কৃতি, নান্দনিক সাজসজ্জা ও আয়োজকদের আন্তরিকতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: সৌদিতে আটকা ওমরাহ যাত্রীদের স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনা হবে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
এর আগে, সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। পরে দুপুর দেড়টার দিকে তিনি নগরীর ঐতিহ্যবাহী খাবারের প্রতিষ্ঠান বোস কেবিন পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে বেলা ২টার দিকে আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজামণ্ডপে পৌঁছান তিনি।
এসময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, আমলাপাড়া সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রবীর কুমার সাহাসহ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতারা ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আমলাপাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং উৎসবের আয়োজন নিয়ে তার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া স্থানীয় আয়োজকদের জন্য ছিলো আনন্দের উপলক্ষ। তার এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে কাছ থেকে দেখার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।





