আজ (মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর) সকালে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার থেকে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসক নিয়ে আসেন। পরে ভেতরে গণমাধ্যমকেও প্রবেশের সুযোগ দেন শিক্ষার্থীরা।
ভেতরে দেখা যায় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছেন ভিসি ও অন্যান্যরা। তাদের বেশ কয়েকজন জানান তীব্র গরম আর নির্ঘুম অবস্থায় থেকে অনেকেই অসুস্থতাবোধ করছেন। বেলা দেড়টার দিকে অবরুদ্ধ ভিসির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে তিনি সুস্থ আছেন বলে জানান চিকিৎসক।
পরে উপাচার্য জানান, অবরুদ্ধ হয়ে অমানবিক কষ্টে রয়েছেন তারা। সংকট সমাধানে সরকারের সহায়তাও চেয়েছেন তিনি। এবার সরকার কিভাবে সমাধান করবে সেটি সরকারের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘সংকটের একমাত্র সমাধান ভিসির পদত্যাগ। আর এ দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ভিসি ও তার সঙ্গীরা অবরুদ্ধই থাকবেন।’
একই দাবিতে কর্মবিরতি ও অসহযোগ কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। গেলো ২২ দিন যাবত এ সংকটে অচল হয়েছে দেশের অন্যতম এ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।





