আরও পড়ুন:
নবম পে স্কেল কেন সময়ের দাবি? (Importance of 9th Pay Scale)
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল (8th National Pay Scale) ঘোষণার পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়িত হয়নি। এই দীর্ঘ সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ বিল এবং চিকিৎসা ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিশেষ করে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা (Lower Grade Employees) চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
কর্মচারীদের বর্তমান আর্থিক অবস্থা (Financial Condition of Employees)
সংগঠনটির নেতাদের মতে, বিদ্যমান বেতন কাঠামো বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। অনেক কর্মচারী এখন অভাবের তাড়নায় ব্যাংক ঋণ (Bank Loan) এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে নবম পে-স্কেল নিয়ে নানা আলোচনা চললেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা না আসায় চাকরিজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রশাসনের কাছে বিশেষ অনুরোধ (Request to the Administration)
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সংগঠনটি নিম্নলিখিত দাবিগুলো জানিয়েছে:
সুপারিশ প্রকাশ: সচিব পর্যায়ের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই প্রকাশ করতে হবে।
বাজেট বরাদ্দ: আসন্ন জাতীয় বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ (Budget Allocation) নিশ্চিত করতে হবে।
বেতন সমন্বয়: দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত বেতন সমন্বয় (Salary Adjustment) করতে হবে।
আরও পড়ুন:
