২০২৬-২৭ অর্থবছরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জন্য ২ হাজার ৫৮৬ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। যেখানে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়াভাতা যুক্ত হলো বাজেটে। এছাড়া নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রোগ্রামে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবও দিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী।
এর আগে বিশেষ বরাদ্দে ৩০০ খেলোয়াড় ক্রীড়াভাতা পেলেও এবার বাজেটে ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যাতে লাভবান হবেন ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই।
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক আরাফাত জুবায়ের বলেন, ‘সাধারণত অনেক সময় ক্রীড়াবিদদের জন্য একটা থোক বরাদ্দ বা বিশেষ বরাদ্দ ক্রীড়ামন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে আসে বা সুনির্দিষ্টভাবে যে ক্রীড়াঙ্গনে উন্নয়নের জন্য বা ক্রীড়াবিদদের জন্য যে ভাতা বা ক্রীড়াবিদদের জন্য আলাদা একটা এলোকেশন এবারের বাজেটে প্রথম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রত্যেক খেলোয়াড় প্রতি মাসে এক লাখ করে পাবেন। ৫০০ জন ক্রীড়াবিদ এই আওতায় থাকবেন ফলে বছরে ৬০ কোটি টাকা ক্রীড়া ভাতা এবার মানে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
এছাড়া ক্রিকেট-ফুটবলের মতো বড় কয়েকটি ফেডারেশন বাদে অধিকাংশ ফেডারেশনের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই করুণ। তাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে ফেডারেশনগুলোকে মুলধন দেবে ফেডারেশন। আর এই অর্থ না ভাঙার শর্ত দিয়ে লভাংশ দিয়ে নিজ নিজ সংস্থাকে সচল করতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মন্ত্রী অনেকগুলা ব্যাংক ধরবে, মানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার যে ফান্ডটা থাকে; সেখান থেকে উনি যাতে প্রত্যেকটা ফেডারেশনকে একটা ব্যাংক বা একটা প্রতিষ্ঠান ইনক্লুড করে দেবে। যাতে আমাদেরকে মানে আর্থিক সহযোগিতা করে।’
ক্রিকেট ফুটবলের মতো বাকি ফেডারেশনগুলোও আসন্ন বছরের স্বচ্ছলতার মুখ দেখবে এমনটাই প্রত্যাশা ক্রীড়া অনুরাগীদের।





