রাষ্ট্রপতি ১৩ অক্টোবর অধ্যাদেশটি জারি করেন, যা গত ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। সংসদ অধিবেশন না থাকায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এই জরুরি বিধান এনে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ৬৪ নম্বর ধারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
নতুন অধ্যাদেশের ফলে কোন শ্রেণির করদাতার জন্য কত দিনের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, তা নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
আরও পড়ুন:
ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার নতুন সময়সীমা ও নিয়ম (VAT Return Submission Time Limit and Rules)
অধ্যাদেশের সংশোধিত নিয়ম অনুযায়ী করদাতাদের দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে:
- সাধারণ করদাতা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান: সাধারণ নিবন্ধিত, তালিকাভুক্ত, নিবন্ধনযোগ্য বা তালিকাভুক্তিযোগ্য ব্যক্তি ও সংস্থাকে কর মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে হবে (VAT return submission within 15 days)।
- বিশেষ সংস্থা ও শূন্য রিটার্ন প্রদানকারী: সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শূন্য রিটার্ন (Zero VAT return submission) দাখিলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ২০ দিনের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
- সরকারি ছুটির দিনের নিয়ম: রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত ১৫তম দিনটি যদি সরকারি ছুটির দিন হয়, তবে পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে (VAT return submission holiday rules)।
আরও পড়ুন:
সুদ-জরিমানা মওকুফ ও ইলেকট্রনিক ভ্যাট রিটার্ন বাধ্যতামূলককরণ (NBR Electronic VAT Return Mandate)
- ১. সময়সীমা বৃদ্ধির ক্ষমতা: জনস্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বিশেষ আদেশের মাধ্যমে সুদ ও জরিমানা (VAT return late submission fine and interest waiver) ব্যতিরেকেই ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াতে পারবে।
- ২. সম্পূরক শুল্কের তথ্য: দাখিলকৃত মূসক রিটার্নে বাধ্যতামূলকভাবে সম্পূরক শুল্ক পরিশোধের সকল তথ্য অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে (Supplementary duty payment info in VAT return)।
- ৩. ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলককরণ: এনবিআর আদেশের মাধ্যমে যেকোনো নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্ত ব্যক্তির জন্য অনলাইনে বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল (Online VAT e-return mandatory NBR) বাধ্যতামূলক করতে পারবে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:




