আরও পড়ুন:
যে ৩ ক্যাটাগরির শিক্ষার্থীরা ২য় ধাপে আবেদনের সুযোগ পাবেন (Eligible Students Category for 2nd Phase)
শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনানুযায়ী, নির্দিষ্ট ৩ ক্যাটাগরির প্রার্থীরা এই ধাপে কলেজ সিলেকশন বা আবেদন করতে পারবেন:
১. নতুন আবেদনকারী ও সিলেকশন না পাওয়া শিক্ষার্থী: যারা প্রথম ধাপে কোনো আবেদন করেননি কিংবা প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হননি।
২. নিশ্চায়ন ও ভর্তি মিস করা শিক্ষার্থী: প্রথম ধাপে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও যারা কোনো কারণে নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে পারেননি বা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়েছেন।
৩. ভুল কোটা নির্ধারণজনিত জটিলতায় পড়া শিক্ষার্থী: প্রথম ধাপে কোটা নির্ধারণে ভুলের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরও কলেজে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেননি।
আরও পড়ুন:
আবেদন ফি ও কলেজ পছন্দক্রমের নিয়ম (Application Fee and College Selection Rules)
আবেদন ফি মওকুফ: যারা ১ম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে সিলেকশন পাননি, তাদের ২য় ধাপে পুনরায় আবেদনের জন্য ২২০ টাকা অনলাইন আবেদন ফি প্রদান করতে হবে না। তারা সরাসরি অফিসিয়াল পোর্টালে লগইন করে কলেজ সিলেকশন বা এডিট সম্পন্ন করতে পারবেন।
কলেজের সংখ্যা: সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দক্রম হিসেবে নির্বাচন করা যাবে।
কোটা নির্ধারণ: ২য় ধাপে আবেদন করার সময় সঠিকভাবে কোটার যোগ্যতা বুঝে তা সিলেক্ট করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
আরও পড়ুন:
ফল, নিশ্চায়ন ও মাইগ্রেশন সময়সূচি (Admission Result, Confirmation and Migration Schedule)
২য় ধাপের ফল: ২য় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল আগামী ১ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন নিশ্চায়ন: ফল প্রকাশের পর ১ অক্টোবর থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থী মনোনয়ন ও আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
মাইগ্রেশন ও চূড়ান্ত ভর্তি: পছন্দক্রমের ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ৪ অক্টোবর রাত ৮টায় প্রকাশিত হবে। এরপর নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ৫ থেকে ৭ অক্টোবরের মধ্যে সশরীরে কলেজে গিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:


