বগুড়ায় বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী; সাধারণ ওয়ার্ডেই চিকিৎসায় অসন্তোষ রোগী ও স্বজনরা

হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী | ছবি: এখন টিভি
0

বগুড়ায় হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সাধারণ ওয়ার্ডেই। যথাযথ সেবা না পাওয়ার অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের। রোগী বাড়লে আলাদা ওয়ার্ডে বিশেষভাবে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে অন্যান্য রোগীর সাথেই রয়েছেন ডেঙ্গু রোগী গোলাম রাব্বানী। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ কোনো ওয়ার্ড নেই, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রয়েছে আরো কয়েকজন রোগী।

ডেঙ্গু রোগীর জন্য বিশেষ ওয়ার্ড নেই, এমনকি নেই মশারির ব্যবস্থাও। সাধারণ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই। দুপুরে গোলাম রাব্বানীর জন্য একটি মশারির ব্যবস্থা হলেও সকালে ছিলেন মশারি ছাড়াই। রোগীদের সেবা দেয়ার এমন অব্যবস্থাপনায় ডেঙ্গু আতঙ্কে রয়েছে আশপাশের অন্যান্য রোগীরাও।

রোগীরা জানান, ডেঙ্গু রোগীর আশেপাশে অন্যান্য রোগীরা থাকতে ভয় পাচ্ছেন। তারপর মশারি টানানো হয়েছে। ডেঙ্গু রোগীদের আলাদা করা হয়নি। সাধারণ রোগীদের সঙ্গেই রাখা হয়েছে তাদের।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, রোগী কম তাই সাধারণ ওয়ার্ডেই সেবা দেয়া হচ্ছে। রোগী বাড়লে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে বিশেষ ওয়ার্ডে।

বগুড়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মজিদুল হক বলেন, ‘আমরা চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি। অনেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গিয়েছেন। আমার কাছে সবশেষ তথ্য এসেছে বর্তমানে একজন মাত্র রোগী ভর্তি আছেন।’

এদিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দেয়া হচ্ছে ২৫ শয্যার বিশেষ ওয়ার্ডে। নতুন করে পাঁচ জন রোগী ভর্তি হওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন মোট ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী।

শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক মঞ্জুর-এ-মোর্শেদ বলেন, ‘আজ সকাল পর্যন্ত ভর্তি আছে ২৪ জন। কাল ৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ হাসপাতালে কোনো ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু ঘটেনি।’

জুলাইয়ের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়েছেন মোট ১০২ জন ডেঙ্গু রোগী।

এফএস