মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর ইউএসটিআরের ঘোষণা অনুযায়ী- বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার ওপর ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য অধিকাংশ দেশের ওপর ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। জোরপূর্বক শ্রমবিরোধী নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে ব্যর্থতার অভিযোগে ৬০টি দেশের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় ও শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে তার প্রশাসন। শুল্কের হার তুলনামূলক কম হওয়ায় স্বস্তির কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী জোহারি আব্দুল গনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। যদি সন্তোষজনক ফল না আসে, তাহলে আমরা আবারও বিষয়টি উত্থাপন করবো। অন্তত আমরা স্বস্তিপাচ্ছি যে, অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় মালয়েশিয়ার ওপর আরোপিত শুল্ক তুলনামূলক কম।’
এদিকে ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও টেক্সটাইল কাঁচামাল বেশি আমদানিতে উৎসাহ দিতে মালয়েশিয়াকে ভবিষ্যতে ট্যারিফ-রেট কোটার আওতায় বিবেচনা করা হতে পারে। নতুন এই শুল্কনীতি মালয়েশিয়ার রপ্তানি, বিশেষ করে টেক্সটাইল ও উৎপাদন খাতের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা এখন নির্ভর করছে ওয়াশিংটন-কুয়ালালামপুরের চলমান আলোচনার ফলাফলের ওপর।





