অনুরোধটি মূলত দুটি বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রথমত, ব্রাজিলের কিছু পণ্যের অন্যায্য বাণিজ্যিক চর্চার অভিযোগ এনে সেগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয়ত, জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ করার আইন প্রয়োগে শিথিলতার অভিযোগে ব্রাজিলসহ কয়েক ডজন দেশের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসিয়েছে দেশটি।
ব্রাজিলের দাবি, এই পদক্ষেপগুলো ‘অযৌক্তিক এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ’। ডব্লিউটিওর ‘জেনারেল এগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড ১৯৯৪’ এবং ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং অন রুলস অ্যান্ড প্রসিডিউরস গভর্নিং দ্য সেটেলমেন্ট অব ডিসপিউটস’ চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এই শুল্ক তার পরিপন্থী।
প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সরকার আগেই বিষয়টি ডব্লিউটিওতে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। গত বছর ট্রাম্পের আগের দফার শুল্ক আরোপের পরও ব্রাজিল একই পদক্ষেপ নিয়েছিল। ওই শুল্ক পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিয়েছিলেন।





