জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ইভান ফেদোরভ বলেন, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য বোমা দিয়ে ‘ব্যাপক’ হামলা চালিয়েছে। এতে ছয়জন নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকটি ভবন ও যানবাহনে আগুন ধরে যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহও বিঘ্নিত হয়েছে। কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শেভচেনকিভস্কি জেলায় হামলার পর একটি গুদামে আগুন ধরে যায়। এতে একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবা।
দক্ষিণাঞ্চলীয় মাইকোলাইভ শহরেও রুশ ড্রোন হামলা হয়েছে। এতে ৭৫ বছর বয়সী এক নারী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতের হামলায় কিয়েভ ও জাপোরিঝঝিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের স্থাপনা এবং পরিবহন ও সরবরাহ কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার ভোরোনেঝ অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। আঞ্চলিক গভর্নর আলেক্সান্দর গুসেভ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকটি গুদামে আগুন ধরে যায়। রুশ অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজ জানিয়েছে, ভোরোনেঝে তাদের সরবরাহকেন্দ্রগুলো থেকে লোকজন সরিয়ে নেয়া হয়েছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট ভোরোনেঝ শহর ও ওই অঞ্চলের পাঁচটি জেলার আকাশে ২০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে জানিয়েছেন গুসেভ।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। একই সময়ে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন।





