দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাইনল্যান্ড-পালাতিনেতের ভালডর্ফে গাছচাপা পড়ে ৫৮ বছর বয়সী এক নারী মারা যান বলে জানিয়েছে জার্মান বার্তা সংস্থা ‘ডিপিএ’। পুলিশ জানায়, ঝড়ের সময় তিনি ও তার ৪৭ বছর বয়সী এক সঙ্গী একটি ছাউনির নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন। হঠাৎ একটি গাছ উপড়ে ছাউনির ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই ওই নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অপর নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে রাজধানী বার্লিনের দক্ষিণ-পূর্বে ফুর্স্টেনভাল্ডে শহরে আঘাত হেনেছে একটি টর্নেডো। এতে বিভিন্ন ভবনের ছাদ উড়ে গেছে এবং গাছের নিচে চাপা পড়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে একজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
পশ্চিমাঞ্চলীয় ভেস্টারভাল্ড জেলার হোর-গ্রেনজহাউজেনে ঝড়ের আঘাতে ভবনের দেয়াল ভেঙে পড়েছে এবং অন্তত দুটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছ উপড়ে পড়ার পাশাপাশি উড়ে আসা ধ্বংসাবশেষের আঘাতে বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ ছাড়া ঝোড়ো বাতাসের কারণে এ৬১ মহাসড়কে একটি ট্রাক উল্টে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঝড়ের কারণে হেসে, থুরিনগিয়া এবং বাভারিয়া অঞ্চলেও জরুরি সেবা চেয়ে অসংখ্য ফোনকল আসে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বাভারিয়ার ক্রোনাখ এলাকায় একটি গ্রামীণ উৎসবের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়। অন্যদিকে হেসে রাজ্যের ভেটজলার এলাকায় প্রায় ৬০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে কিছু বাড়ির ছাদের অংশ বাতাসে উড়ে ১০০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে।
জার্মানির আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বাডেন-ভুর্টেমবার্গ ও বাভারিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনের পরের ভাগে আরও তীব্র ঝড় আঘাত হানতে পারে।





