গালিবাফের এ বক্তব্য এসেছে এক দিন পর, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর’ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট) বলেন, নতুন ব্যবস্থাগুলোর বিস্তারিত আগামী সোমবার জানানো হবে। বেসেন্টের বক্তব্যে ইঙ্গিত ছিল, এমন পদক্ষেপে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রয়োজন কমতে পারে।
গালিবাফ বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত।’ তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সরাসরি সামরিক সংঘাতে ইরান ও ইরাকের বিরুদ্ধে জিততে না পারবে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছে অর্থনৈতিক ও ‘কগনিটিভ’ যুদ্ধ চালাচ্ছে। গালিবাফ তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত বক্তব্যে বলেন, ‘আপনি যদি মুসলিম দেশগুলোর সম্পদ ও কাঁচামালের দিকে তাকান, তাহলে বুঝবেন আমাদের শত্রুরা সেগুলো লুট করতেই এসেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাই আমাদের অন্যায্য নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় পরিকল্পনা নিতে হবে, যাতে আমরা সেগুলো কাটিয়ে উঠতে পারি।’
গালিবাফ বাগদাদ ও তেহরানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের কথাও বলেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে দুই দেশ নিজেদের জাতীয় মুদ্রায় বাণিজ্য করতে পারে।





