গেলো মে মাসে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশে ইবোলার প্রাণঘাতি বুন্দিবুগিও ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়। যা আগের ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি হারে ছড়াচ্ছে। প্রাদুভার্ব ছড়িয়ে পড়া রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নানা উদ্যোগ নিলেও মিলছে না সুফল। এ কারণে ৩ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো বেড়ে চলেছে ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।
ডিআর কঙ্গোর চলমান এই প্রাদুর্ভাবকে বলা হচ্ছে দেশটির ইতিহাসে দ্বিতীয় প্রাণঘাতি ব্যাধি। এর আগে ২০১৪-১৬ সালে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে পশ্চিম আফ্রিকাতে এর চেয়ে বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলো।
চিকিৎসকরা বলছেন, আগের প্রাদুর্ভাবগুলোর তুলনায় বর্তমানটি পাঁচগুণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। এছাড়াও, মে মাসে বুন্দিবুগিও ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হলেও এর আগে থেকেই অনেকে ইবোলায় সংক্রমিত ছিল বলে শঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞরা।
আরও পড়ুন:
এমএসএফের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এস্থার স্টার্ক বলেন, ‘প্রাদুর্ভাবটি অনেক দেরিতে শনাক্ত হয়েছে। সম্ভবত জানুয়ারি বা ফ্রেবুয়ারি মাস থেকেই এর সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। মে মাসে এটি প্রথম শনাক্তের আগেই ইতুরিসহ কঙ্গোর অন্যান্য প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে।’
ইবোলার দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। জাতিসংঘের ইবোলা বিষয়ক কো অর্ডিনেটর জুলিয়েন হার্নিস বলেন, ‘গেলো ৩ মাসে ইবোলায় ২,৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আর তাদের অর্ধেকই মারা গেছেন গেলো ২০ দিনে। এটি এমন কিছু অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে যেগুলোতে তিন দশক ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে।’
তবে মৃত্যু ও সংক্রমণে যখন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে ডিআর কঙ্গো; তখন বুন্দিবুগিও ভ্যারিয়েন্ট মোকাবিলায় দুটি ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে আশার খবর শুনিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়াও রোগটি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়নি বলেও দাবি সংস্থাটির।




