তবে এই প্রস্তাবের সঙ্গে সতর্কবাণীও যুক্ত করেন ক্রিস রাইট। তার দাবি, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা। তবে এমন অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে এসেছে তেহরান। রাইট বলেন, ‘ইরান আবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে যুক্ত হতে পারে এবং তাদের মানুষের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসতে পারে।’
অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্তমূলক হামলার পরিকল্পনা করছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন। তেহরানের দক্ষিণে নাতাঞ্জ পরমাণু কমপ্লেক্সের আশপাশে নির্মাণকাজ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার পর এমন পরিকল্পনার কথা জানা গেছে।
গত সপ্তাহে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান ‘অনেক বেশি হারে বোমাবারুদের শিকার হবে’ এবং দেশটি ‘আর কোনোদিন ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।’ পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন এলাকায় সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা গেলে সেখানে হামলার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। নাতাঞ্জ কমপ্লেক্সের কাছেই অবস্থিত এই স্থান নিয়ে ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘আমরা খুব দ্রুতই পিকঅ্যাক্সে হামলা চালাতে পারি।’





