স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইএনসিএ জানিয়েছে, হামলাকারীরা বাড়ির সবাইকে একটি কক্ষে জড়ো করে এরপর গুলি চালায়। হামলার পর নিহত ব্যক্তিদের একজনের গাড়িতেও আগুন দেয়া হয়। হামলার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রাদেশিক প্রিমিয়ার নতুলি বলেন, এ ঘটনায় পুরো সম্প্রদায় গভীরভাবে শোকাহত ও হতবাক।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ইএনসিএকে বলেন, নিহত ব্যক্তিদের কয়েকজনের সঙ্গে তার শৈশব কেটেছে। এমন ঘটনা তিনি কখনো দেখেননি বলেও জানান তিনি। পুলিশের বরাত দিয়ে ইএনসিএ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে নিহত ব্যক্তিদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহ ছিল এবং তাঁরা পুলিশের অপরাধ গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারিতে ছিলেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
পুলিশ বলেছে, হামলার উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকটি গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধের জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকায় হত্যার হার বিশ্বের অন্যতম বেশি। প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষের দেশটিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ জন হত্যার শিকার হন। অপরাধ দমনে গত মার্চে দেশটির বিভিন্ন সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় জাতীয় পুলিশের সঙ্গে সেনাসদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়। প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা অপরাধকে দেশের অন্যতম বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।





