ইরানের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার মুখপাত্র মজিদ আখাবান আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমকে জানান, আজ (বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে বাগদাদ ও মাসকাট বিমানবন্দর ইরানি কোনো ফ্লাইট গ্রহণ করবে না। এ কারণে বাগদাদগামী ফ্লাইটগুলো বিকল্প হিসেবে নাজাফ বিমানবন্দরে নামানোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও পরামর্শ চলছে।
ইরানি বার্তা সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তুরস্কের ইস্তাম্বুলসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চালু থাকবে।
এর আগে সোমবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, বুধবার থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ, ইরানি উড়োজাহাজকে সেবা দেওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর দ্বিতীয় পর্যায়ের বা গৌণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে ওয়াশিংটন।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসিকে স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘ইরানি বিমান অবতরণ করলে তাদের জ্বালানি দেওয়া যাবে না, ল্যান্ডিং সেবা দেওয়া যাবে না এবং টিকিটও বিক্রি করা যাবে না। কেউ যদি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে তাকে মার্কিন ডলারভিত্তিক লেনদেন ব্যবস্থা থেকে বের করে দেয়া হবে।’
এদিকে ওয়াশিংটনের মুখোমুখি অবস্থান বজায় রাখলেও কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনার মাধ্যমে একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে পৌঁছাতে তারা প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। তবে এক সাক্ষাৎকারে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ি বলেন, ‘ওয়াশিংটনের উচিত আমাদের শর্ত মেনে নেওয়া। ট্রাম্পের হুমকি কোনো ফল আনবে না এবং আমরা একটি নির্ণায়ক যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’





