ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা বিভাগের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছাকাছি জাবাল আল-ফাস এলাকায় ইরান তাদের অবশিষ্ট পারমাণবিক প্রকল্প স্থানান্তরের চেষ্টা চালাচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্যে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় সক্রিয় করার এই চেষ্টা ধরা পড়ার পর, ইসরাইল যেকোনো সময় প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়।
এক ইসরাইলি কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেন, তেহরান যদি লাল রেখা অতিক্রম করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ থাকুক বা না থাকুক, ইসরাইল তাদের পারমাণবিক স্থাপনা ও অন্যান্য বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালাবে। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি চিরতরে নস্যাৎ করার একমাত্র পথ হলো দেশটির সরকার পরিবর্তন। আগামী ২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন এই সামরিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না বলেও জানান তিনি।
এদিকে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনাকে ইতিবাচক বললেও, রিয়াদ ও ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের মতে বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ইসরাইল দাবি করছে, তেহরান সময়ক্ষেপণ করছে এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর বাজি ধরছে, তাই এই আলোচনার কোনো বাস্তব মূল্য নেই।





