গ্লসস্টারশায়ার পুলিশ জানায়, ‘বিস্ফোরক আইনের’ অধীনে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের পর ওয়েলফোর্ড এলাকা থেকে বেশ কিছু বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এলাকাটিকে 'মেজর ইনসিডেন্ট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েকটি গাড়ি পরীক্ষা করে দেখছে।
ওয়েলফোর্ড গ্রামটি ‘আরএএফ ফেয়ারফোর্ড’ বিমানঘাঁটির খুব কাছে অবস্থিত। ইরান যুদ্ধের সময় মার্কিন বাহিনী সীমিত পরিসরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এই ঘাঁটি ব্যবহার করে আসছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ আক্রমণ শুরুর পর যুক্তরাজ্য সরকার মার্কিন বাহিনীকে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়। তবে এই গ্রেপ্তারের সাথে ঘাঁটির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা পুলিশ এখনো নিশ্চিত করেনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে রাতে তিনটি ‘অস্বাভাবিক ভ্যান’ দেখার পর পুলিশে খবর দেয়া হয়। এর পরপরই পুলিশি তৎপরতা শুরু হয় এবং ড্রোন ও বোম্ব ডিসপোজাল রোবট দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে তাদের সেনাসদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট সুরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তারা কিছু জানাননি। রয়টার্স জানায়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ঘাঁটির আশপাশে সশস্র পুলিশ মোতায়েন ও রোডব্লক বসিয়ে নিরাপত্তা অনেক বাড়ানো হয়েছে।





