শিক্ষা খাতের ওপর ইসরাইলি আগ্রাসন নিয়ে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে মন্ত্রণালয় জানায়, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং কর্মীদের হতাহতের পাশাপাশি হাজারো মানুষ আহত ও গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ধ্বংস বা হামলার শিকার হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুধু গাজা উপত্যকায় ১৯ হাজার ১৮৯ জন স্কুলশিক্ষার্থী এবং ১ হাজার ৩৮৬ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২৮ হাজার ৫৮৬ জন স্কুলশিক্ষার্থী ও ৩ হাজার ৮২ জন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী। গাজায় ৮০৫ জন স্কুলশিক্ষক ও কর্মচারী এবং ২৪৬ জন বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহত হয়েছেন ৩ হাজার ২৯৮ জন স্কুলকর্মী এবং ১ হাজার ৪৯৩ জন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মী।
এদিকে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৩৪ জন স্কুলশিক্ষার্থী এবং ৩৯ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। সেখানে আহত হয়েছেন ৮৭১ জন স্কুলশিক্ষার্থী ও ২৮৩ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ইসরাইলি বাহিনী ৪১৬ জন স্কুলশিক্ষার্থী এবং ৪৮১ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে আটক করেছে। পশ্চিম তীরে ৭ জন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছেন। পাশাপাশি ১৭৬ জনের বেশি শিক্ষক ও স্কুলকর্মী এবং ২১ জন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার হামলায় ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপত্যকাটির প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো। একই সময়ে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরেও সহিংসতা বাড়িয়েছে ইসরাইলি বাহিনী ও দখলদাররা। সেখানে ১ হাজার ২১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত, প্রায় ১৩ হাজার ৩৫০ জন আহত এবং ২৪ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।





