শুক্রবার ইইউ পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাট এ তথ্য প্রকাশ করে। বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশিত শূন্য দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসের চেয়ে এ ফল বেশ ভালো। গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় ইউরোজোনের অর্থনীতিতে ১.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিক্সের উপ-প্রধান ইউরোজোন অর্থনীতিবিদ জ্যাক অ্যালেন-রেইনোল্ডস জানান, এ ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি প্রমাণ করে যে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধ সত্ত্বেও পরিবার ও ব্যবসায়িক খাতগুলো তাদের ব্যয় সংকুচিত করেনি। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও ইউরোজোনের অর্থনীতি নিজেদের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রেখেছে বলে মনে করেন অক্সফোর্ড ইকোনমিক্সের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ পাওলো গ্রিনিয়ানি।
তবে জ্বালানি তেলের চড়া দাম সার্বিক মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। ইউরোজোনে বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার ৩.৮ শতাংশ, যা ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) নির্ধারিত ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশ বেশি। চড়া মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ইসিবি তাদের নীতিসুদ হার বাড়াতে পারে, যা ব্যবসার খরচ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ইউরোজোনের বৃহত্তম অর্থনীতি জার্মানি উচ্চ জ্বালানি মূল্য সত্ত্বেও শূন্য দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। অন্যদিকে বাজেট ঘাটতি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে ফ্রান্সের অর্থনীতি শূন্য দশমিক ১ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। এছাড়া স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও এস্তোনিয়ায় শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আর বহুজাতিক প্রযুক্তি ও ওষুধ কোম্পানির উপস্থিতিজনিত প্রভাবে আয়ারল্যান্ডে রেকর্ড ৫.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।





