কাবুুলের নূর আই হাসপাতালের চিকিৎসক ড. নূর জামান হাশেম জানান, বিস্ফোরণ, সংঘর্ষ, আঘাত ও কাজের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় দৃষ্টিশক্তি হারানো বহু যুবক কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে মুখে মুখে অস্ত্রোপচার স্থগিত রাখার কঠোর নির্দেশ এসেছে। তালেবানের শাস্তি থেকে বাঁচতে চিকিৎসকরা এই অস্ত্রোপচার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ভিত্তিক চিকিৎসকদের মানবিক সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ানস অব পাকিস্তানি ডেসেন্ট অব নর্থ আমেরিকা’ (এপিপিএনএ) বিনামূল্যে আফগানিস্তানে দানকৃত কর্নিয়া সরবরাহ করে আসছিল। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাকিস্তানি চিকিৎসকরা আফগান চিকিৎসকদের কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণও দেন। চলতি বছর কাবুল ও জালালাবাদে সংস্থাটির সহায়তায় অন্তত ১৫০ জনের বেশি মানুষের চোখে সফলভাবে কর্নিয়া বসানো হয়েছিল।
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তালেবান সরকার একের পর এক বিতর্কিত ধর্মীয় ও স্বাস্থ্য আইন কার্যকর করছে। বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধের কারণে আফগানিস্তানের স্বাস্থ্য খাত এমনিতেই ধ্বংসপ্রাপ্ত, তার ওপর দানকৃত অঙ্গ প্রতিস্থাপনে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সাধারণ আফগানরা চরম দুর্দশায় পড়েছেন। বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার সুবিধা সচল রাখতে তালেবান কর্তৃপক্ষের কাছে জরুরি আবেদন জানিয়েছে মানবিক সংস্থাটি।





