বছরের শুরুতেই, বিমানবাহী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে বিশাল মার্কিন রণতরী বহরের মধ্যপ্রাচ্যে প্রবেশকে ঘিরে, তীব্রতর হয় ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার শঙ্কা। পাঠানো হয় কয়েকটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারসহ অতিরিক্ত এফ ফিফটিন ও এফ থার্টি ফাইভ যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এরপর ক্যারিবীয় সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয় জেরাল্ড আর ফোর্ড নামের আরেকটি রণতরীকে।
আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের কূটনীতিতে এমন টানটান উত্তেজনার মধ্যেই, এবার মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালো রুশ রণতরী। ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান জোরদারের বিপরীতে, মস্কোর সঙ্গে সমুদ্রে মহড়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে আজ স্থানীয় সময়(বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি) জানায় তেহরান।
মস্কো টাইমসের তথ্য, চলতি সপ্তাহের শেষে মহড়া শুরুর লক্ষ্যে এরই মধ্যে ইরানের বন্দর আব্বাসে নোঙর ফেলেছে স্টেরেগুশচি-ক্লাস রণতরী স্টোইকি। সামরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং সমুদ্র নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে মহড়া চলবে ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে।
এর আগে ‘মেরিটাইম সিকিউরিটি বেল্ট ২০২৬’ কর্মপরিকল্পনার আওতায় সমন্বিত মহড়ার জন্য, হরমুজ প্রণালীতে সামরিক নৌযান মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্রের চির প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া, চীন ও ইরান। এ পদক্ষেপকে বিস্ময়কর আখ্যা দিয়েছে ভূরাজনৈতিক থিংক ট্যাংক গ্লোবাল সারভেইলেন্স।





