ভেনেজুয়েলায় হামলা: এক-তৃতীয়াংশ মার্কিনির সমর্থন

রয়টার্সের জরিপ

নিউইয়র্কে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উঁচিয়ে  এক অভিবাসী
নিউইয়র্কে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উঁচিয়ে এক অভিবাসী | ছবি: সংগৃহীত
0

সম্প্রতি রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলাকে সমর্থন করছেন দেশটির এক-তৃতীয়াংশ জনগণ। রিপাবলিকানদের ৬৫ শতাংশ ট্রাম্পের নির্দেশিত সামরিক অভিযানকে সমর্থন করেন। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধে আধিপত্য বিস্তারের নীতি থাকা উচিত, এমন মনোভাবের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন অনেক রিপাবলিকান।

মার্কিন অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের ঘটনায় হতবাক বিশ্ব। এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে কেউ করেছে নিন্দা, অন্যদিকে অনেকেই করেছে সমর্থন।

তবে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় যতই হোক, ট্রাম্প প্রশাসনের এ পদক্ষেপ সমর্থন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অনেকেই। সম্প্রতি রয়টার্সের জরিপে দেখা গেছে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলাকে সমর্থন করেন দেশটির এক-তৃতীয়াংশ জনগণ। ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের পক্ষে ৬৫ শতাংশ রিপাবলিকান, ১১ শতাংশ ডেমোক্র্যাট এবং ২৩ শতাংশ অন্যান্য।

২০২৬ সালের জানুয়ারি ৪ থেকে ৫, দুই দিনের এ জরিপে দেখা গেছে, রিপাবলিকানদের ৬৫ শতাংশ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশিত সামরিক অভিযানকে সমর্থন করেন, যেখানে ডেমোক্র্যাটদের হার ১১ শতাংশ।

আরও পড়ুন:

নিকটবর্তী দেশগুলোর উপর প্রভাব বিস্তার করে আধিপত্য বিস্তারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন রিপাবলিকানরা, এমন চিত্র উঠে এসেছে জরিপে। যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধে আধিপত্য বিস্তারের নীতি থাকা উচিত, এমন মনোভাবের সাথে প্রায় ৪৩ শতাংশ রিপাবলিকান সহমত জানিয়েছেন। অবশ্য দ্বিমত জানিয়েছেন ১৯ শতাংশ।

এছাড়া, ভেনেজুয়েলায় নতুন সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেরই দেশ পরিচালনা করা উচিত বলে মনে করেন ৬৫ শতাংশ রিপাবলিকান। শুধু তাই নয়, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সেনা উপস্থিতির পক্ষেও মত দিয়েছেন ৬০ শতাংশ রিপাবলিকান। আর ৫৯ শতাংশ রিপাবলিকান মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ নেয়া উচিত।

দেশব্যাপী ১ হাজার ২৪৮ জন মার্কিন নাগরিকের এ জরিপে ট্রাম্পের অনুমোদনের রেটিং ৪২ শতাংশ দেখানো হয়েছে। যা গেল অক্টোবরের পর থেকে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরের জরিপে ৩৯ শতাংশ থেকে বেশি। অনলাইনে পরিচালিত এ জরিপে ত্রুটির মার্জিন ছিল প্রায় ৩ শতাংশ।

শনিবার (৩, জানুয়ারি) ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র একটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভেনেজুয়েলাকে পরিচালনা করবে এবং স্থল সেনা পাঠাতে পারে। পরে ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পকে সংস্কারের অঙ্গীকার করে তিনি রোববার (৪, জানুয়ারি) জানান, দেশের বৃহৎ তেলক্ষেত্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ প্রবেশাধিকার প্রয়োজন।

এএম