ইরান যুদ্ধের উত্তাপ বাড়লে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সতর্ক করেছে আইএমএফ। মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ক্ষয়ক্ষতি বাড়তে থাকায় এরই মধ্যে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটনভিত্তিক এ সংস্থাটি। জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত থাকলে দেশের অর্থনীতি ভয়াবহ মন্দার মুখে পড়বে।
যুক্তরাজ্য চার্টার্ড সার্টিফাইড একাউন্টেন্ট মিজান ওয়াহিদ বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট চুক্তি থেকে বেড় হয়ে যাওয়ার ফলে তারা অনেকটাই আইসোলেট হয়ে গিয়েছে। ব্রেক্সিট থেকে বের হয়ে যাওয়ার ফলে তাদের অনেক চাপে থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন:
দেশটির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমিয়ে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মূল্যস্ফীতির সরকারি লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশের দ্বিগুণ, অর্থাৎ ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এথনিক কমিউনিটির ব্যবসায়ীরা।
যুক্তরাজ্য ব্যবসায়ী শাহীন আলম সানি বলেন, ‘আমাদের এখানের সব দোকানগুলো গ্যাস ওপর নির্ভরশীল। দাম বাড়লে আমরা অনেক চাপে থাকতে হবে।’
১৯৮০ সালের পর এমন পরিস্থিতি কেবল চারবার দেখা গেছে, যার সর্বশেষটি ছিলো ২০২০ সালের করোনা মহামারি ও ২০০৮ সালের আর্থিক মন্দার সময়।
দেশটির অর্থমন্ত্রী রাসেল রিভস জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং অর্থনীতি চাঙা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এদিকে ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড সতর্ক অবস্থানে থেকে নীতি সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার।





